1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০২:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
টুঙ্গিপাড়ায় ভূয়া সাংবাদিকের চাঁদাবাজির অভিযোগ, অসহায় পরিবারে আতঙ্ক রমজানের শিক্ষা কাজে লাগিয়ে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর দেশবাসীকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমজানের শেষ জুম্মায় ছোনকা জামে মসজিদে মুসল্লিদের ঢল, ভরে উঠলো ঈমানি আবহ তিন বছর পর রমজানে পাঁচ জুমা, আজ জুমাতুল বিদা; শনিবার দেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর আজ জুমাতুল বিদা, কাল সারা দেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় হাইফার তেল শোধনাগারে আগুন, ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে ভিন্ন দাবি ইসরায়েলের ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পক্ষ থেকে তারেক রহমানকে ঈদ শুভেচ্ছা, জোর দিলেন বন্ধুত্ব জোরদারে বাংলাদেশে শাওয়ালের চাঁদ দেখা যায়নি, শনিবার (২১ মার্চ) পালিত হবে পবিত্র ঈদুল ফিতর মন্দিরে পুজো দিয়ে ভোটের প্রচারে নামলেন – সায়ন্তিকা ব্যানার্জি

যে গ্রামে পুরুষদের জায়গা দেন না নারীরা

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৬ জুলাই, ২০২৩
  • ৩০৭ বার দেখা হয়েছে

গ্রামটি ‘পুরুষবিহীন’ থাকার কারণ হলো ‘নির্যাতন’; এই গ্রামে যেসব নারী থাকেন তাদের কেউ কেউ যৌন নিগ্রহ, পরিবারের হাতে নির্যাতন, স্বামী পরিত্যক্ত, বাল্য বিয়ে অথবা যৌনাঙ্গের অঙ্গহানী থেকে বাঁচতে এই গ্রামে চলে এসেছেন। পুরুষ শাসিত সমাজের দ্বারা অত্যাচারের স্বীকার হওয়ায়— নিজেদের সঙ্গে আর পুরুষদের জায়গা দেন না তারা।

২০১৭ সালে গ্রামটি সম্পর্কে জানতে পারেন ঘানার ফটোগ্রাফার পল নিনসন। তখন সিদ্ধান্ত নেন, গ্রামের নারীদের দেখতে যাবেন এবং তাদের গল্প তুলে আনবেন। কারণ তার মতে, ‘আফ্রিকান দিক থেকে এ ধরনের গল্প সবার মাঝে বলা উচিত।’

উমোজা গ্রামটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৯০ সালে। এখানে নারীদের আগমন হয়েছিল সামবুরোর দুর্গম গ্রামগুলো থেকে। আর গ্রামটিকে নিজেদের আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহার করতেন তারা। বর্তমানে শুধুমাত্র নারীদের নিয়ে তৈরি ৫০টি পরিবার এখানে বাস করে। এসব পরিবারে শিশুও রয়েছে। তবে পুরুষ শিশুদের বয়স ১৮ বছর হলে তাদের সেখান থেকে চলে যেতে হয়।

ফটোগ্রাফার পল নিনসন শুধুমাত্র গ্রামটির অবস্থান সম্পর্কে জেনে ঘানা থেকে কেনিয়ায় যান। প্রথমে তাকে গ্রামের নারীরা ঢুকতে দিতে চাননি। কিন্তু আসার কারণ জানার পর তারা তাকে স্বাগত জানান।

ওই গ্রামে যেসব নারী বসবাস করেন তাদের জীবনযাত্রা বিনয়ী। তারা খাবার ও শিশুদের পড়ালেখার খরচ মেটানোর জন্য আয় করেন।

উমোজা গ্রামটি বিখ্যাত মাসাই মারা অভয়ারণ্যের কাছে অবস্থিত। ফলে এখানে অনেক পর্যটক ক্যাম্প স্থাপন করেন। পর্যটকরা খুবই অল্প ফি দিয়ে উমোজায় প্রবেশ করতে পারেন। পর্যটকদের কাছে বিক্রির জন্য গ্রামের নারীরা হাতে বিভিন্ন অলংকার তৈরি করেন।

সূত্র: সিএনএন

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com