1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০৪:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি ও গ্যাস না পাওয়ায় কাঁচা সবজি নিয়ে ধিক্কার মিছিল। ঈদের ছুটি শেষে সচিবালয়ে কর্মচাঞ্চল্য, ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এক-এগারোর আলোচিত মুখ মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী গ্রেপ্তার: ইতিহাসের দায় কি শেষ পর্যন্ত ঘুরে ফিরে আসে? *কিংবদন্তিদের বিশ্বমঞ্চে প্রথমবার ‘বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নস’* রেকর্ড জটিলতায় শতভাগ জমি নিয়ে বিরোধ: শ্যামগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের নামে দখল ও অতিরিক্ত বিক্রির অভিযোগ দেশজুড়ে সড়ক-রেল দুর্ঘটনায় হতাহতদের ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর, তদন্ত ও কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ দাউদকান্দি-মেঘনার জনমানুষের আস্থার ঠিকানা ড. খন্দকার মারফ হোসেন দম্পতি ওমরাহর পথে, দোয়ার হাত উঠুক সর্বত্র ঈদের টানা ৭ দিনের ছুটি শেষে মঙ্গলবার খুলছে অফিস-আদালত, ব্যাংক-বিমা ও শেয়ারবাজার ঈদের দিনে আতঙ্কে সিলেটের বিএনপি নেতার পরিবার মাদক মামলায় ফেরারি পিতা-পুত্র, তদন্ত দাবি স্বজনদের জ্বালানি ঘাটতি ও নিরাপত্তাহীনতায় পেট্রোল পাম্প বন্ধের শঙ্কা, সতর্ক করল মালিক সমিতি

বিদেশে গিয়ে বাংলাদেশকেই খুঁজতেন মমতা ব্যানার্জি, কিন্তু কেন?

রিপোর্টার
  • আপডেট : শুক্রবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৩
  • ২৪৬ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক: সেই ১৯৯৭-৯৮ সালের কথা। সে সময় জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। কিন্তু বিদেশের মাটিতে পা রেখেই সবার প্রথমে তার মনে এসেছে বাংলাদেশের কথা। বাংলাদেশের মানুষের খোঁজ করেছিলেন মমতা। কারণ একটাই-মন খুলে মনের কথা ব্যক্ত করা। কারণ তারই প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ভাষা বাংলা।

বৃহস্পতিবার কলকাতার একটি অনুষ্ঠান থেকে কয়েক দশক আগের সেই পুরনো ঘটনার স্মৃতিচারণ করলেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান।

মমতা বলেন, ‘আমাদের বাংলা চর্চার সু-ভাষাটা যেন হারিয়ে না যায়। কোন ব্যক্তি সব ভাষাতে কথা বলতে পারলেও তার মাতৃভাষায় কথা বলতে বেশি স্বাচ্ছন্দ বোধ করে। তেমনি আমিও বিদেশে গেলেই প্রথমে খুঁজে বাংলাদেশের কারা আছে। কেন দেখি? কারণ আমি যখন জাতিসংঘের অধিবেশনে আমেরিকায় গিয়েছিলাম…সেটা ১৯৯৭- ৯৮ সালের কথা। তখন যুক্তরাষ্ট্রে বেশি হোটেল ছিল না। তখন দেখেছিলাম নিজেদেরকেই নিজদের রান্না করে খেতে হতো। তো কখন আমি মিটিং করব, আর কখন রান্না করে খাব। তখন খুঁজতে খুঁজতে বের করলাম বাংলাদেশের কয়েকজনকে। বাংলাদেশিরা এমনিতেই অতিথি পরায়ণ হয়। তারা আমাকে বললেন ও দিদি কি খাইতাছেন? আমি বললাম কি খামু, কিছুই তো নাই! তখন ওরা বলল আমরা আপনাকে খাবার পাঠামু। এই বলে একটা ক্যানে করে এত খাওয়ার পাঠালেন যে একদিনের খাবারে টানা সাত দিন হয়ে গেল।’

ওই সময়েরই আরেকটি ঘটনার কথা আর স্মরণ করে মমতা বলেন, ‘এমনিতে আমি একটু গেঁয়ো, ঘরোয়া টাইপের লোক। আমেরিকায় গিয়ে গোসলের সময় বালতি বা মগ কোনটাই পাইনি। শেষ পর্যন্ত কিচেন থেকে একটা সসপ্যান নিয়ে এসে আমি গোসল করেছি। কিন্তু কাউকে বুঝতে দেইনি যে আমি জানি না। আমি বিদেশের ফ্লাইটে প্রথম চড়েছিলাম শুধু খেয়াল রাখতাম পাশের লোকটি কি করছে। এভাবে শিখতে শিখতে আমি আজ এই জায়গাটায় এসেছি।”

এদিন দক্ষিণ কলকাতার আলিপুরে ধনধান্য অডিটোরিয়াম এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকেই সেই সব পুরনো ঘটনার স্মৃতিচারণ করেন মমতা। এদিনের অনুষ্ঠান থেকে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারকে নিশানা করেন তিনি।

কেন্দ্রের কাছ থেকে বকেয়া পাওনা অর্থ না পাওয়া প্রসঙ্গে মমতা বলেন, ‘আমাদের অনেক অর্থ আটকে রাখা হয়েছে এবং শুনেছি ২০২৪ সাল পর্যন্ত সেই অর্থ নাকি দেবে না। কিন্তু না দিক। দরকার হলে ভিক্ষা করব। শাড়ির আঁচল নিয়ে মায়ের কাছে যাব। কিন্তু দিল্লির কাছে ভিক্ষা চাইতে যাব না। আপনাদের সকলের সহযোগিতা, আশীর্বাদ ও শুভেচ্ছায় যেমন করেই হোক চালিয়ে নেব।’

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com