1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ০২:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
নারীর অধিকার ও দেশের উন্নয়নে কাজ করতে চান এ্যাডভোকেট দিলারা সুলতানা সেতু ‎ ইরান যুদ্ধ থামাতে ‘জরুরি বৈঠকে’ বসছে প্রভাবশালী ৪ মুসলিম দেশ ডিজল এর অবৈধ মজুত, ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা। ডিপো থেকে জ্বালানি তেল দেয়ার নতুন সময় নির্ধারণ। নিখোঁজের একদিন পর লাশ মিলল বাঁশখালীতে। শিবগঞ্জে হেরোইন-ইয়াবা উদ্ধার দুবাইয়ে ‘লুকিয়ে থাকা’ মার্কিন সেনাদের ওপর ইরানের হামলার দাবি, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন আঘাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগ জ্বালানি তেল নিয়ে কৃত্রিম সংকট ঠেকাতে কঠোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দিলারা হাফিজের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক, “দেশ হারালো এক সজ্জন শিক্ষাবিদ” 🛑 ‘স্বপ্ন’-এ সাইবার হামলার চেষ্টা: গ্রাহক তথ্য সুরক্ষিত, বলছে কর্তৃপক্ষ

বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন সাংবাদিক তোয়াব খান

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২ অক্টোবর, ২০২২
  • ১৫৯ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক: একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য সাংবাদিক তোয়াব খানকে আগামীকাল সোমবার রাজধানীর বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে। বার্ধক্যজনিত জটিলতায় শনিবার দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তোয়াব খান।

তোয়াব খানের ছোট ভাই ওবায়দুল কবির জানান, তোয়াব খানের মরদেহ সোমবার সকাল ১০টায় তেজগাঁওয়ে নিউজবাংলা ও দৈনিক বাংলা কার্যালয়ে নেওয়ার পর সেখানে প্রথম জানাজা হবে। এরপর বেলা সাড়ে ১১টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত কফিন রাখা হবে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। সেখানে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের ব্যবস্থাপনায় শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। তোয়াব খানের মরদেহ সোমবার বেলা ১টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত জাতীয় প্রেস ক্লাবে রাখা হবে। সেখানে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় প্রেস ক্লাব থেকে মরদেহ নেওয়া হবে গুলশানের নিজ বাসভবনে। বাদ আছর গুলশান আজাদ মসজিদে জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হবে বনানী কবরস্থানে।

উল্লেখ্য, মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক তোয়াব খানের জন্ম ১৯৩৪ সালের ২৪ এপ্রিল, সাতক্ষীরার রসুলপুর গ্রামে। তাঁর সাংবাদিকতা জীবনের শুরু ১৯৫৩ সালে সাপ্তাহিক জনতার মাধ্যমে। ১৯৫৫ সালে তিনি যোগ দেন দৈনিক সংবাদে। ১৯৬১ সালে তিনি দৈনিক সংবাদের বার্তা সম্পাদক হন। এরপর ১৯৬৪ সালে যোগ দেন দৈনিক পাকিস্তানে। মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে শব্দসৈনিকের ভূমিকা পালন করেন তোয়াব খান। সে সময় তাঁর আকর্ষণীয় উপস্থাপনায় নিয়মিত প্রচারিত হয় ‘পিন্ডির প্রলাপ’ নামের অনুষ্ঠান। ১৯৭২ সালের ১৪ জানুয়ারি থেকে তিনি দৈনিক বাংলার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রেস সচিব ছিলেন। ১৯৮৭-১৯৯১ মেয়াদে সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদ ও প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদেরও প্রেস সচিব ছিলেন। তিনি প্রধান তথ্য কর্মকর্তা ও প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশের (পিআইবি) মহাপরিচালকের দায়িত্বও পালন করেন। জনকণ্ঠের প্রকাশনার শুরু (১৯৯২) থেকেই তিনি গত বছরের অক্টোবর পর্যন্ত পত্রিকাটির উপদেষ্টা সম্পাদক ছিলেন। এরপর নতুন আঙ্গিক ও ব্যবস্থাপনায় প্রকাশিত দৈনিক বাংলার সম্পাদকের দায়িত্ব নেন তিনি। সাংবাদিকতায় অনন্য অবদানের জন্য সরকার তাঁকে ২০১৬ সালে একুশে পদক প্রদান করে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com