1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ০৩:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
জাতীয় সংসদের স্পিকারের স্ত্রী দিলারা হাফিজ আর নেই জনবান্ধব পুলিশ গড়তে নবীন কর্মকর্তাদের প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আহ্বান, সারদায় ৪৩তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের পাসিং আউট প্যারেড অনুষ্ঠিত ব্যবসায়ীর বাড়িতে গুলি সাজ্জাদ গ্রুপের সদস্য গ্রেপ্তার রানা প্লাজা থেকে বেঁচে ফেরা নাসিমার শেষ যাত্রা পদ্মায়, একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু সৌদিতে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা, আহত ১২ সেনা—দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে গতি আনতে আজ দুই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক চারটি ধর্মের সমন্বয়ে- সমাজকে নতুন বার্তা দিতে, দেবী অন ক্যানভাস প্রদর্শনী শুভ সূচনা হলো। ইসরায়েলের হামলায় উত্তপ্ত ইরান, ‘চড়া মূল্য দিতে হবে’—হুঁশিয়ারি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ইরানের দুই পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা, তেজস্ক্রিয়তা ছড়ায়নি—দাবি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের সৌদি-কুয়েত-আমিরাত-বাহরাইনে দফায় দফায় ইরানের হামলা

খুনিদের আশ্রয়দাতারা মানবতার ছবক শেখায়: প্রধানমন্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১৬ আগস্ট, ২০২২
  • ২২১ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকে যেসব দেশ মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে, আমাদের ওপর স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) দেয়, তারা তো খুনিদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খুনি রাশেদ। এই রাশেদ ছিল মিন্টু রোডে যে অপারেশন হয় সেই অপারেশনের কমান্ডিং অফিসার। আমেরিকার সঙ্গে আমরা বারবার কথা বলছি, কিন্তু তারা তাকে (রাশেদ) দিচ্ছে না। এদের কাছ থেকে আমাদের মানবতার সবক নিতে হয়। তারা আমাদেরকে মানবতার সবক শেখায় যারা আমার বাবা, মা, নারী, শিশু- তাদেরকে হত্যা করেছে।

শেখ হাসিনা বলেন, আজকে চারিদিকে অনেক প্রশ্ন, মানবাধিকারের প্রশ্ন আসে। মানবাধিকারের কথা বলা হয়, আমাদের সরকারকে মানবাধিকারের ব্যাপারে প্রশ্ন করে। যারা এই প্রশ্ন করে তাদের কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আমাদের মানবাধিকার, ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি তাদের মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমাদের তো বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। আমি আমার বাবা-মা হারিয়েছি, কিন্তু আমি মামলা করতে পারব না।

তিনি বলেন, ৩২ নম্বর, ওই ধানমণ্ডির। লাশগুলো তো পড়েছিল। কত স্লোগান, তুমি আছ যেখানে, আমরা সেখানে। কোথায় ছিল সেই মানুষগুলো? একটি মানুষ ছিল না সাহস করে এগিয়ে আসার? একটি মানুষ ছিল না প্রতিবাদ করার? কেন করতে পারিনি? এত বড় সংগঠন, এত সমর্থক, এত লোক- কেউ তো একটা কথা বলার সাহস পায়নি। ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট সেই লাশ পড়েছিল। বিচারের বাণী তো নিভৃতে কাঁদে। আমি ফিরে এসেও তো বিচার করতে পারিনি। আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ ইনডেমনিটি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com