1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ১১:০২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ফুলতলায় বাজার দর মনিটরিং ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ অভিযান পরিচালিত। তেহরানে মার্কিন–ইসরায়েলি হামলায় সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ নিহতের দাবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ শীর্ষ সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে শীঘ্রই ব্যবস্থা নেয়া হবে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মুসলিম বিশ্বের নীরবতা, আগ্রাসনের পুনরাবৃত্তি—ইতিহাস কি আবারও একই প্রশ্নের মুখে? কমলাপুর স্টেডিয়ামে অব্যবস্থাপনায় ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ক্ষোভ, দ্রুত সংস্কারের নির্দেশ শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রকাশ করলো ৯৭৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা প্রতিবেদন 🔥 মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের বিস্তার: দোহা–দুবাইয়ে বিস্ফোরণ, ইসরায়েলে সাইরেন—পূর্ণাঙ্গ সংঘাতের শঙ্কা সিআইএ–ইসরায়েল মিলে কীভাবে খামেনির অবস্থান খুঁজে পেল 🔴 ঘন ঘন ভূমিকম্পে বাড়ছে ঝুঁকি: ঢাকায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবী প্রস্তুতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

মুসলিম বিশ্বের নীরবতা, আগ্রাসনের পুনরাবৃত্তি—ইতিহাস কি আবারও একই প্রশ্নের মুখে?

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬
  • ৫ বার দেখা হয়েছে

✍️ এস এম শাহ্ জালাল সাইফুল| আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও মুসলিম বিশ্ব :
বিশ্ব রাজনীতির গত দুই দশকের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে একটি প্রশ্ন বারবার সামনে আসে—মুসলিম বিশ্বের ওপর সংঘটিত বড় বড় সামরিক আগ্রাসনের সময় কেন দেখা যায় বিভক্তি, নীরবতা ও পারস্পরিক দূরত্ব?
২০০১ সালে আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন সামরিক অভিযান শুরু হলে তালেবান সরকার পতনের মধ্য দিয়ে অঞ্চলটি দীর্ঘ যুদ্ধের অগ্নিগর্ভ বাস্তবতায় প্রবেশ করে। এরপর ২০০৩ সালে ইরাকে হামলা, ২০১১ সালে লিবিয়ায় সামরিক হস্তক্ষেপ এবং একই বছর আরব বসন্ত-পরবর্তী মিশরের রাজনৈতিক পরিবর্তন—প্রতিটি ঘটনাই মুসলিম বিশ্বের রাজনৈতিক ঐক্য ও কূটনৈতিক সক্ষমতা নিয়ে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করে।
ইরাকের সাবেক প্রেসিডেন্ট Saddam Hussein, লিবিয়ার নেতা Muammar Gaddafi কিংবা মিশরের নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট Mohamed Morsi—তাদের পতনের ঘটনাগুলো মুসলিম বিশ্বের জনগণের একটি অংশের কাছে পশ্চিমা প্রভাব ও আঞ্চলিক দুর্বলতার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। ইরানের রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি ঘিরে চলমান সংকট মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের প্রশ্নকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক বিভাজন, ভিন্ন নিরাপত্তা স্বার্থ এবং ভূ-রাজনৈতিক জোট নির্ভরতা—সম্মিলিত অবস্থান গড়ে ওঠার প্রধান বাধা।
বিশ্বরাজনীতির বাস্তবতা হলো—রাষ্ট্রগুলো আদর্শ নয়, বরং জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েই সিদ্ধান্ত নেয়। ফলে ধর্মীয় পরিচয় এক হলেও কূটনৈতিক অবস্থান প্রায়শই ভিন্ন হয়ে থাকে।
তবে মুসলিম বিশ্বের সাধারণ জনগণের মধ্যে একটি আবেগপ্রবণ প্রশ্ন ক্রমেই জোরালো হচ্ছে—
সংকটের মুহূর্তে পারস্পরিক সহযোগিতা ও রাজনৈতিক সংহতি কি কখনও বাস্তবে রূপ নেবে?
বিশ্লেষকরা মনে করেন, সামরিক প্রতিক্রিয়ার পরিবর্তে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, শিক্ষা ও কূটনৈতিক ঐক্যই মুসলিম দেশগুলোর দীর্ঘমেয়াদি শক্তির ভিত্তি হতে পারে।
আজকের বাস্তবতা মুসলিম বিশ্বের সামনে এক কঠিন বার্তা রেখে যাচ্ছে—
ঐক্য কেবল স্লোগানে নয়, প্রয়োজন কার্যকর প্রতিষ্ঠান, পারস্পরিক আস্থা ও যৌথ কৌশল।
শেষ কথা:
সংঘাত নয়, স্থিতিশীলতা ও ন্যায়ভিত্তিক আন্তর্জাতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠাই হতে পারে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ পথ। মুসলিম বিশ্বের জন্য এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ—বিভক্তির রাজনীতি অতিক্রম করে বাস্তবসম্মত সহযোগিতার নতুন দিগন্ত তৈরি করা।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com