নিজস্ব প্রতিবেদক : কুমিল্লার দাউদকান্দি ও মেঘনা এলাকায় চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা ও সেবন, সন্ত্রাসী কার্যকলাপ, কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা এবং অবৈধ বালু উত্তোলনের মতো অপরাধের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করা হয়েছে।
ড. খন্দকার মারুফ হোসেন, সদস্য, জাতীয় নির্বাহী কমিটি–বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), এক বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে বলেন—দাউদকান্দি ও মেঘনায় কোনোভাবেই অপরাধকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে কঠোর ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি সতর্ক করেন, “অপরাধীর কোনো দলীয় পরিচয় নেই—আইনের চোখে সবাই সমান।”
তিনি আরও বলেন, যদি বিএনপি বা অন্য কোনো রাজনৈতিক দল, সংগঠন কিংবা গোষ্ঠীর কেউ এসব অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকে, তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে কোনো ধরনের দ্বিধা করা হবে না। রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে কেউ চাঁদাবাজি, মাদক কারবার বা সন্ত্রাসে জড়ালে তাকে কঠোরভাবে দমন করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সম্পাদকীয় দৃষ্টিকোণ থেকে বলা যায়, সাম্প্রতিক সময়ে স্থানীয় পর্যায়ে অপরাধ দমনে রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও প্রশাসনিক তৎপরতার সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দাউদকান্দি–মেঘনা অঞ্চলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে হলে দলীয় শৃঙ্খলা, সামাজিক প্রতিরোধ এবং প্রশাসনিক কঠোরতা—এই তিনের সমন্বিত প্রয়াস প্রয়োজন।
ড. মারুফ হোসেনের এই ঘোষণা স্থানীয় রাজনীতিতে একটি তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষ করে কিশোর গ্যাং ও অবৈধ বালু উত্তোলনের মতো ইস্যুতে দীর্ঘদিনের অভিযোগের প্রেক্ষাপটে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির ঘোষণা জনমনে প্রত্যাশা সৃষ্টি করেছে।
এখন দেখার বিষয়—ঘোষণার বাস্তব প্রয়োগ কত দ্রুত ও কতটা কার্যকরভাবে নিশ্চিত করা যায়। স্থানীয় জনগণের প্রত্যাশা, অপরাধ দমনে কথার চেয়ে কাজে দৃশ্যমান পরিবর্তনই হবে সবচেয়ে বড়