এস এম শাহ্ জালাল সাইফুল : রাষ্ট্র পরিচালনার আনুষ্ঠানিক শপথের পর এবার প্রশাসনিক কার্যক্রমে সরাসরি সম্পৃক্ত হলেন দেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো সচিবালয়ে প্রবেশ করে তিনি শুরু করলেন দাপ্তরিক কার্যক্রম—যা রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অঙ্গনে নতুন বার্তা দিচ্ছে।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টা ৩২ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর সচিবালয়ে প্রবেশ করে। এ সময় সচিবালয়ের ১ নম্বর ভবনের সামনে ছিল কঠোর নিরাপত্তা বলয়। রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা সংস্থা এসএসএফ, পিজিআর, পুলিশ, র্যাবসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা অবস্থান নেন। ভবনসংলগ্ন এলাকা যানবাহনমুক্ত করা হয় এবং প্রবেশাধিকার সীমিত রাখা হয়—যা নতুন সরকারের প্রশাসনিক অগ্রাধিকার ও নিরাপত্তা প্রস্তুতিরই ইঙ্গিত বহন করে।
১ নম্বর ভবন নতুনভাবে সাজানো হয়েছে। ফুলগাছ ও নান্দনিক সজ্জায় ভবনের পরিবেশে আনা হয়েছে সতেজতা। এখানেই অনুষ্ঠিত হবে মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক—যা আগামী দিনের নীতিনির্ধারণে দিকনির্দেশনা দেবে।
প্রধানমন্ত্রীর নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, সচিবালয়ে পৌঁছে তিনি মধ্যাহ্নভোজ ও নামাজ আদায় করেন। বিকেল ৩টায় মন্ত্রিসভার বৈঠকে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে এবং বিকেল ৪টায় সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় যোগ দেবেন। প্রশাসনের সর্বোচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এই বৈঠককে নতুন সরকারের কর্মপরিকল্পনা ও অগ্রাধিকার নির্ধারণের সূচনা হিসেবেই দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, নির্ধারিত কর্মসূচি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেন, যার মধ্য দিয়ে দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়।
দায়িত্বের প্রথম দিনেই প্রশাসনিক কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পষ্ট বার্তা দিলেন—সরকার কাজ শুরু করেছে, এবং সামনে রয়েছে নীতিনির্ভর, গতিশীল ও দৃশ্যমান কর্মযজ্ঞের