নিজস্ব প্রতিবেদক : নির্বাচনকে ঘিরে উদ্ভূত সামগ্রিক নিরাপত্তা বাস্তবতায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতাদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন পাওয়ার পর কমিশন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে।
ইসির চিঠি থেকে জানা যায়, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর আবেদন করেন। আবেদনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে দলের সাতজন শীর্ষ নেতা ও সংসদ সদস্য প্রার্থীর জন্য উপযুক্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। আবেদনটি পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়।
নিরাপত্তা পাওয়ার তালিকায় রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের (সাবেক এমপি), এটিএম আজহারুল ইসলাম, সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আযাদ (সাবেক এমপি) এবং মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান।
নির্বাচন কমিশনের এ সিদ্ধান্তকে নির্বাচনকালীন সমতা ও নিরাপদ রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিতের অংশ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। রাজনৈতিক সহিংসতা ও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে সব দলের নেতাকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব—এমন মন্তব্যও করছেন বিশ্লেষকেরা।