1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
অভিজ্ঞতার পরম্পরা থেকে রাষ্ট্রনায়কের সম্ভাবনা কাতারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ফোনে তারেককে অভিনন্দন সৌজন্য সাক্ষাতে ঐক্যের বার্তা: নতুন অধ্যায়ে ইতিবাচক রাজনীতির ইঙ্গিত ডেলিভারিংলাভস’ ইভেন্টের মাধ্যমে চেরির ভালোবাসা দিবস উদযাপন দাউদকান্দিতে বাস–অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ২, আহত অন্তত ৭ 🤝 তারেক–শফিক বৈঠক, রাতেই নাহিদের বাসায় ধমক দিয়ে রাজনীতি চলবে না। ধমকের রাজনীতি ৫ আগস্টেই শেষ হয়ে গেছে। ড. খন্দকার মারুফ হোসেন দায়িত্ব পালনকালে বেপরোয়া বাসের আঘাতে নিহত হলেন ফায়ারফাইটার আহসান হাবীব দাউদকান্দি–মেঘনায় অপরাধের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা : ড. খন্দকার মারুফ হোসেন

২৬ জনকে ফাঁসিতে ঝোলানো কে এই জল্লাদ শাহজাহান

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১৮ জুন, ২০২৩
  • ১৮৭ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক: দীর্ঘ সময় দেশের বিভিন্ন কারাগারে ২৬ জনকে ফাঁসির দড়িতে ঝুলানো কারাবন্দি জল্লাদ শাহজাহান ৩২ বছর সাজা ভোগের পর মুক্তি পাচ্ছেন। রবিবার কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার কথা। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মাহবুবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জল্লাদ শাহজাহানের মোট সাজা হয়েছিল ৪২ বছর। তার মধ্যে তিনি ১০ বছর ৫ মাস ২৮ দিন রেয়াত পেয়েছেন। প্রায় ৩২ বছরের সাজা শেষে তিনি মুক্তি পাচ্ছেন।

কারা সূত্রে জানা গেছে, সাজার মেয়াদ কমানোর বাসনায় কয়েদি থেকে জল্লাদ বনেছিলেন শাহজাহান। একের পর এক অপরাধীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়েছেন চার দেয়ালের বন্দিজীবন থেকে মুক্তি পেতে। অবশেষে সেই বাসনা সত্যি হচ্ছে।

১৯৫০ সালের ২৬ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার জন্মস্থান নরসিংদীর পলাশ উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের ইছাখালী গ্রামে। তিন বোন এক ভাই। বাবার নাম হাসান আলী ভূঁইয়া। মাতা সব মেহের। পড়াশোনা করেছেন এইচএসসি পর্যন্ত। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি অবিবাহিত। ১৯৭৪ সালে তিনি এইচএসসি পাস করেন।

তিনি নরসিংদী জেলার কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৭৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি জেলার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

জানা গেছে, একবার তার গ্রামে নারী ঘটিত একটি ঘটনা ঘটে। শাহজাহানের দুই বন্ধুসহ তার নামে অভিযোগ ওঠে। গ্রামে তাকে নিয়ে বিচারে বসা হয়। সেই বিচারে তাকে অপরাধী প্রমাণিত করে তাকে সাজা দেওয়া হয়। এরপর থেকেই তার ক্ষিপ্ততা শুরু। তিনি অপমান সহ্য করতে না পেরে সিদ্ধান্ত নেন অপরাধ জগতে প্রবেশ করে এই অপমানের চরম প্রতিশোধ নেবেন।

ওই ঘটনার পরে তিনি বাংলাদেশের একজন বহুল পরিচিত সন্ত্রাসীর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেছেন। তার উল্লেখযোগ্য একটি অপারেশন ছিল ১৯৭৯ সালে মাদারীপুর জেলায়। এটাই ছিল তার জীবনে সর্বশেষ অপারেশন। সেখানে অপারেশন শেষ করে মানিকগঞ্জ হয়ে ঢাকায় ফেরার চেষ্টা করেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে শাহজাহানের দল মানিকগঞ্জ হয়ে ঢাকায় যাবে।

মানিকগঞ্জে পুলিশ চেক পোস্ট বসালে শাহজাহান তার ওই এলাকার বাহিনীর মাধ্যমে তা জেনে জান। সব জেনেই ওই এলাকা দিয়ে ঢাকায় ফেরার সিদ্ধান্তে অটল থাকেন। মানিকগঞ্জে পুলিশের সাথে গোলাগুলিও হয় কিন্তু পুলিশ তাকে ধরতে পারেনি। এরপর ঢাকায় পৌঁছে যখন নরসিংদীর উদ্দেশে রওনা হন পথিমধ্যে পুলিশ তাকে আটক করে ফেলে। তার গতিময় জীবনের এখানেই সমাপ্তি এবং এরপর থেকে তার বন্দী জীবন শুরু।

১৯৭৯ সালে আটক হওয়ার আগে ও পরে তার নামে সর্বমোট ৩৬টি মামলা হয়। এর মধ্যে একটি অস্ত্র মামলা, একটি ডাকাতি মামলা এবং অবশিষ্ট ৩৪টি হত্যা মামলা।

কারা সূত্র জানায়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৬ ঘাতক, ৬ জন যুদ্ধাপরাধী, কুখ্যাত সন্ত্রাসী এরশাদ শিকদার, জঙ্গি নেতা বাংলাভাই, আতাউর রহমান সানী, শারমীন রীমা হত্যার আসামি খুকু মনির, ডেইজি হত্যা মামলার আসামি হাসানসহ বাংলাদেশের আলোচিত ২৬ জনকে জনের ফাঁসি দিয়েছেন শাহজাহান।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com