“সৌদি ভলেন্টিয়ার প্রোগাম—ইবসার” উদ্বোধন করা হয়। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, জনাব জুনাইদ আহ্মেদ পলক প্রধান অতিথি এবং কিং সালমান মানবিক সহায়তা ও ত্রাণ কেন্দ্রের সহকারি সুপারভাইজার জেনারেল, ড. আকিল আল-গমদি বিশেষ অতিথি হিসেবে উক্ত প্রোগ্রামের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কিং সালমান মানবিক সহায়তা ও ত্রাণ কেন্দ্রের প্রতিনিধিগণ এবং আল-বাসার ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি জেনারেল, ড. আদেল আল-রুশুদ, উক্ত সংস্থার সম্মানিত বোর্ড মেম্বারসহ দেশি-বিদেশি বরেণ্য অথিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মাননীয় প্রধান অতিথী জনাব জুনাইদ আহ্মেদ পলক তার বক্তব্যের শুরুতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে তথ্য-প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নয়নের কথা তিনি উল্লেখ করেন। বাংলাদেশে চক্ষুচিকিৎসায় এবং অন্ধত্বের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আল বাসার ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশনের তিনি ভূয়সী প্রশংসা করেন।
তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ এবং সৌদি আরবের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় বন্ধন রয়েছে এবং কালান্তরে এই বন্ধনটি আরও শক্তিশালী হচ্ছে। বাংলাদেশের চক্ষু স্বাস্থ্যসেবা খাতে কিং সালমান মানবিক সহায়তা ও ত্রাণ কেন্দ্রের অবদান আমাদের দুই ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের সুদৃঢ় সম্পর্ক ফুটিয়ে তুলেছে। আমরা এই বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আল-বাসার ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন আমার হৃদয়ে একটি বিশেষ স্থান দখল করে আছে। আমি আল-বাসারের সামগ্রিক কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করি”। তিনি তার নিজ এলাকায় আল-বাসার ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশনের এর দুটি চক্ষু শিবিরের মাধ্যমে প্রায় দুই হাজার সানিরোগীর ফ্রি অপারেশন হয়েছে বলে উল্লেখ করেন। এবং সেখানে আল-বাসারের একটি চক্ষু হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার আহ্বন জানান।
উল্লেখ্য যে, আল-বাসার ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ২০১৪ সালে স্কুলগামী ছাত্র-ছাত্রীদের চোখের যত্ন ও চিকিৎসা সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে “স্কুল আই হেল্থ” প্রোগ্রাম চালু করে। উক্ত প্রোগ্রামের মাধ্যমে ইতঃমধ্যে ২১৫,১৮৭ জন শিক্ষার্থীকে চক্ষুসেবা প্রদান করেছে। বর্তমানে উক্ত প্রোগ্রামটি কিং সালমান মানবিক সহায়তা ও ত্রাণ কেন্দ্রের আওতাধীন “সৌদি ভলেন্টিয়ার প্রোগাম—ইবসার” এর অর্থায়নে ও সার্বিক তত্বাবধানে নতুন করে যাত্রা শুরু করেছে। উদ্দেশ্য হলো ঢাকা জেলার ৫০টি স্কুলে ৩০ হাজার স্কুলশিক্ষার্থীর চক্ষুসেবা নিশ্চিৎ করা।