বঙ্গনিউজবিডি রিপোর্ট : শুক্রবার (২৫ আগস্ট) রাত দশটার ইংরেজি সংবাদের পর (১০ টা ২০ মিনিট) প্রথমবারের মতো প্রদর্শনী হবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে গোয়েন্দা শাখার গোপন নথি অবলম্বনে প্রথম ডকু-ফিকশন ফাইল নম্বর ৬০৬।
ডকু-ফিকশনের প্রেক্ষাপটঃ
১৯৪৮ সাল, মার্চ মাস। সদ্য জন্ম নেওয়া রাষ্ট্রের ভাষা নিয়ে তুমুল আলোচনা চলছে৷ শেখ মুজিবুর রহমানের বয়স তখন মাত্র ২৮ বছর। আলোচনার অংশ হিসেবে তাঁর উপর কড়া নজর রাখতে শুরু করে পাকিস্তানি গোয়েন্দারা। পাকিস্তানের ইন্টেলিজেন্স ব্রাঞ্চ (Intelligence Branch) প্রতিদিন প্রতিমুহুর্ত তার কর্মকান্ড পর্যবেক্ষণ করতে থাকে এবং তা উর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে প্রেরণ করা রুটিন ওয়ার্ক হয়ে যায়। গোয়েন্দা বিভাগ এ সংক্রান্ত রিপোর্ট গুলো নিয়ে শেখ মুজিবুর রহমানের নামে ১৯৪৮ সালে ব্যক্তিগত ফাইল খোলে এবং তাতে সকল তথ্য সংরক্ষণ করা শুরু করে। যা ব্যক্তিগত ফাইল বা পিএফ নামে পরিচিত। সেই ফাইলগুলো নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘সিক্রেট ডকুমেন্ট অব ইন্টেলিজেন্স ব্রাঞ্চ অন ফাদার অব দ্য নেশন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’ শিরোনামে চৌদ্দ খন্ডের বই সম্পাদনা করেন। মাত্র আঠাশ বছরের এক তরুণ ছাত্রনেতা শেখ মুজিবুর রহমানের নামে ইন্টেলিজেন্স ব্রাঞ্চ ( আইবি) কোন প্রেক্ষাপটে পার্সোনাল ফাইল ওপেন করতে হল -সেই সময়ের বাস্তবতা তুলে ধরে ‘সিক্রেট ডকুমেন্ট অব ইন্টেলিজেন্স ব্রাঞ্চ অন ফাদার অব দ্য নেশন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’ এর উপর বাংলাদেশে সর্বপ্রথম কোন ডকু-ফিকশন ‘ফাইল নম্বর ৬০৬’।
ফাইল নম্বর ৬০৬ সম্পর্কে পরিচালক প্রকৌশলী শেখ তাজুল ইসলাম তুহিন বলেন, ‘সিক্রেট ডকুমেন্ট অব ইন্টেলিজেন্স ব্রাঞ্চ অন ফাদার অব দ্য নেশন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’ বই গুলোর প্রথম খন্ড নিয়ে এই শর্ট ফিল্মটি বাংলাদেশের রাজনীতি ও ইতিহাসের গবেষকদের গবেষণার তথ্য-উপাত্তের একটি সমৃদ্ধ উৎস। কারণ এতে উন্মোচিত হয়েছে, কীভাবে সদ্য জন্ম নেওয়া পাকিস্তান সরকার বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ব্যাপারে অনুসন্ধান চালিয়েছিল।
ডকু-ফিকশন ফাইল নম্বর ৬০৬ এর পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন শাহীন আহমেদ এবং প্রযোজনায় ছিল ‘নক্ষত্র’।
ডকু-ফিকশন ফাইল নম্বর ৬০৬ এর চিত্রগ্রহনে রাকিবুল হাসান, নির্বাহী প্রযোজক অপরাজিতা সংগীতা, শিল্প নির্দেশনায় রবি দেওয়ান, শব্দে নাহিদ মাসুদ, সম্পাদনায় সামির আহমেদ ছিলেন।
উল্লেখ্য যে, গত ১১ এপ্রিল রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে ডকু-ফিকশন ফাইল নম্বর ৬০৬ উদ্বোধনী প্রদর্শনী অনুষ্ঠান হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। আরও উপস্থিত ছিলেন সরকারের নিরাপত্তা শাখার উর্ধতন কর্মকর্তাসহ ছবিটির সাথে সংশ্লিষ্ট নির্মাতা, অভিনেতা শিল্প ও কলাকুশলীরা।