নিজস্ব প্রতিবেদক : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনে মর্যাদাপূর্ণ ফলাফল অর্জনের জন্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর আমির ডা. শফিকুর রহমান-কে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
শনিবার (১৪ জানুয়ারি) দেওয়া এক বার্তায় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াত প্রার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ, প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন এবং ফলাফল ঘোষণার পর শান্তিপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রতিক্রিয়া দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, নির্বাচনী প্রচারপর্ব থেকে শুরু করে নির্বাচন-পরবর্তী সময় পর্যন্ত দলটির রাজনৈতিক শিষ্টাচার, সংযমী অবস্থান এবং কর্মীদের শান্তিপূর্ণ আচরণের আহ্বান সামগ্রিক পরিস্থিতিকে স্থিতিশীল রাখতে সহায়ক হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব পালনের সময় জামায়াত যে গঠনমূলক সমর্থন, পরামর্শ ও সহযোগিতা দিয়েছে, তা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় বাংলাদেশ নানা চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বৈশ্বিক অর্থনীতি, প্রযুক্তিগত পরিবর্তন, জলবায়ু সংকট, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং সামাজিক ন্যায়বিচারের প্রশ্নে সরকার ও বিরোধী দলের দায়িত্বশীল ভূমিকা অত্যন্ত জরুরি।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি গঠনমূলক ও দায়িত্বশীল বিরোধী শক্তি হিসেবে সংসদ ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। নীতিনির্ধারণ, আইন প্রণয়ন, জনগণের প্রত্যাশা তুলে ধরা এবং রাষ্ট্রের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে উঠবে বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
জাতীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, অতীতে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠায় যে ভূমিকা রাখা হয়েছে, ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে—এটাই জাতির প্রত্যাশা। জাতীয় ঐক্যই দেশের সবচেয়ে বড় শক্তি বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
শেষে তিনি মহান আল্লাহর কাছে ডা. শফিকুর রহমানের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং সার্বিক কল্যাণ কামনা করেন।
আপনি চাইলে এটাকে আরও কঠোর রাজনৈতিক সম্পাদকীয়, নিরপেক্ষ নিউজ টোন, বা হেডলাইনসহ পূর্ণ নিউজ প্যাকেজ আকারে সাজিয়ে দিতে পারি।