1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০৫:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ঈদের সকালেও তেহরানে ভয়াবহ হামলা, পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান যমুনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন ড. ইউনূস দাউদকান্দির প্রধান ঈদ জামাতে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, সম্প্রীতি-সংহতি ও জনসম্পৃক্ত রাজনীতির বার্তা জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর একসঙ্গে ঈদ জামাত, ৩৫ বছর পর পুরুষ প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ মিরপুরে ঈদের জামাতে ডা. শফিকুর রহমান, ঐক্যবদ্ধ হয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জাতীয় ঈদগাহে এক কাতারে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী: ঈদের জামাতে ধর্মীয় সম্প্রীতির সঙ্গে মিলল রাজনৈতিক বার্তা দেশের আকাশে শাওয়ালের চাঁদ দেখা গেছে, আজ শনিবার দেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন টুঙ্গিপাড়ায় ভূয়া সাংবাদিকের চাঁদাবাজির অভিযোগ, অসহায় পরিবারে আতঙ্ক রমজানের শিক্ষা কাজে লাগিয়ে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর দেশবাসীকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জুলাইযোদ্ধাদের স্বীকৃতি অস্বীকার মানেই ইতিহাস অস্বীকার —তারেক রহমান

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৪০ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ধারাবাহিক সংগ্রামের অংশ হিসেবে ঘোষণা দিয়ে রাজনীতির মাঠে এক স্পষ্ট ও সাহসী অবস্থান নিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলেছেন—২০২৪ সালের জুলাই মাসে যারা শহীদ হয়েছেন ও যারা আহত হয়েছেন, তারা সবাই মুক্তিযোদ্ধা। এই উচ্চারণ কেবল আবেগের নয়, এটি একটি ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক ঘোষণা।
রোববার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহত পরিবারগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তারেক রহমান স্মরণ করিয়ে দেন—যেভাবে ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধারা অস্ত্রহাতে দেশের স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিলেন, ঠিক সেভাবেই ২০২৪ সালের জুলাইযোদ্ধারা বুক পেতে দিয়ে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছেন। এই সত্য অস্বীকার করার মানে হলো জনগণের আত্মত্যাগ অস্বীকার করা, ইতিহাসকে বিকৃত করা।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। উপস্থিত ছিলেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ শীর্ষ নেতৃত্ব—যা স্পষ্ট করে দেয়, এটি কোনো একক বক্তব্য নয়, এটি বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থান।
তারেক রহমান ঘোষণা দেন, বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে মুক্তিযোদ্ধাবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় একটি পৃথক বিভাগ গঠন করা হবে, যা জুলাই শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের দায়িত্ব নেবে। তিনি বলেন, “আমরা হারানো স্বজনকে ফিরিয়ে দিতে পারব না, কিন্তু রাষ্ট্রের দায়িত্ব থেকে পালানোর কোনো সুযোগ নেই।” এটি ক্ষমতার লোভে দেয়া আশ্বাস নয়—এটি রাষ্ট্র পরিচালনার নৈতিক দায় স্বীকারের অঙ্গীকার।
তিনি আরও স্পষ্ট করেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান কোনো দলীয় কর্মসূচি ছিল না। এটি ছিল দল-মত-ধর্ম নির্বিশেষে নিপীড়িত মানুষের বিস্ফোরণ। জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার ছিনিয়ে নেয়ার বিরুদ্ধে এটি ছিল স্বতঃস্ফূর্ত গণজাগরণ। যারা এই আন্দোলনকে দলীয় চশমায় দেখতে চায়, তারা জনগণকে অপমান করে।
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে “বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের লড়াই” আখ্যা দিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ছাড়া নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ অসম্ভব। জনগণের রায়ে বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে জুলাই শহীদ ও আহতদের প্রতি দেয়া প্রতিশ্রুতি ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে—ইনশা আল্লাহ।
বক্তব্যের শেষাংশে তিনি শহীদদের রূহের মাগফিরাত এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।
এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে একটি বিষয় পরিষ্কার—জুলাই গণঅভ্যুত্থান আর চাপা দিয়ে রাখার মতো ঘটনা নয়। যারা শহীদের তালিকা মুছতে চায়, যারা আহতদের বিস্মৃত করতে চায়, তারা সময়ের বিপক্ষে দাঁড়িয়ে আছে। ইতিহাস শেষ কথা বলবেই।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com