1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০৩:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
যমুনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন ড. ইউনূস দাউদকান্দির প্রধান ঈদ জামাতে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, সম্প্রীতি-সংহতি ও জনসম্পৃক্ত রাজনীতির বার্তা জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর একসঙ্গে ঈদ জামাত, ৩৫ বছর পর পুরুষ প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ মিরপুরে ঈদের জামাতে ডা. শফিকুর রহমান, ঐক্যবদ্ধ হয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জাতীয় ঈদগাহে এক কাতারে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী: ঈদের জামাতে ধর্মীয় সম্প্রীতির সঙ্গে মিলল রাজনৈতিক বার্তা দেশের আকাশে শাওয়ালের চাঁদ দেখা গেছে, আজ শনিবার দেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন টুঙ্গিপাড়ায় ভূয়া সাংবাদিকের চাঁদাবাজির অভিযোগ, অসহায় পরিবারে আতঙ্ক রমজানের শিক্ষা কাজে লাগিয়ে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর দেশবাসীকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমজানের শেষ জুম্মায় ছোনকা জামে মসজিদে মুসল্লিদের ঢল, ভরে উঠলো ঈমানি আবহ

দেবিদ্বার কি পরীক্ষাগার? ইতিহাস মুছে ফেলার এই দুঃসাহস কোথা থেকে আসে

রিপোর্টার
  • আপডেট : শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৩১ বার দেখা হয়েছে

এস এম শাহ্ জালাল সাইফুল : দেবিদ্বারের রাজনীতি কোনো পরীক্ষাগার নয়, আর এখানকার মানুষ কোনো গিনিপিগও নয়। তবুও বারবার এমন আচরণ করা হয় যেন ইতিহাসকে মুছে ফেলা যায়, আবেগকে অস্বীকার করা যায়, আর জনগণের রায়কে প্রশাসনিক কলমে বাতিল করা সম্ভব। প্রশ্ন একটাই—এই আত্মবিশ্বাসের উৎস কোথায়?
দেবিদ্বারের মাটি আর মঞ্জুরুল আহসান মুন্সি—এই দুই নামকে আলাদা করার দুঃসাহস কার? যখন অনেকেই রাজনীতির বর্ণমালাই শিখছিল, তখন মাত্র ৪১ বছর বয়সে রাজনৈতিক দৈত্যখ্যাত ন্যাপ প্রধানকে পরাজিত করে যিনি ক্ষমতার বৃত্ত কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন, তাঁকে আজ ‘ম্যানেজ’ করার স্বপ্ন দেখা নিছক আত্মপ্রবঞ্চনা ছাড়া কিছু নয়।
ইতিহাস মিথ্যা বলে না, কিন্তু সুবিধাবাদীরা বলে।
২০০৮ সালের সেই বহুল আলোচিত নির্বাচনী নাটক আজও মানুষের স্মৃতিতে দগদগে ক্ষত হয়ে আছে। আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা দেখে যাদের বুক কেঁপেছিল, তারাই ক্ষমতায় এসেই কারাগারের তালা ঝুলিয়েছিল। সাত বছরের কারাবাস, রিমান্ড, মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন—সব মিলিয়ে একটি রাজনৈতিক চরিত্রকে ভেঙে দেওয়ার পূর্ণ প্যাকেজ। কিন্তু ফলাফল কী হয়েছিল? জনগণের সমর্থন কি কমেছিল, নাকি আরও পাথরের মতো শক্ত হয়েছিল?
উত্তর সবাই জানে—ভাঙা যায়নি।
আজ আবারও পরিচিত এক রাজনৈতিক কায়দায় চোখ রাঙানোর চেষ্টা চলছে। ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে দেবিদ্বারকে ‘লাইনচ্যুত’ করার দিবাস্বপ্ন দেখা হচ্ছে। কিন্তু যারা এই স্বপ্ন দেখছেন, তারা কি কখনো খোঁজ নিয়েছেন—দেবিদ্বারের প্রতিটি ইটের ভাঁজে, প্রতিটি ভিত্তিপ্রস্তরে কার নাম লেখা আছে? এই জনপদ কি কেবল ভোটের অঙ্ক, নাকি দীর্ঘদিনের সম্পর্ক, বিশ্বাস আর আত্মত্যাগের ফল?
করোনাকালে যখন রাষ্ট্রের অনেক স্তর কার্যত অদৃশ্য, তখন দেবিদ্বারের মাঠে কে ছিল? দেহাতি মানুষের চোখের জল কে মুছেছিল? ইতিহাস এসব ভুলে না—মানুষও না।
কিছু প্রশ্ন ক্ষমতাকেও বিব্রত করে—
বিনা ভোটে জেতার খায়েশ কি এখনো শেষ হয়নি?
জেল-জুলুম দিয়ে কি জনগণের ভালোবাসা কেনা যায়?
ক্ষমতার দাপটে ইতিহাস মুছে ফেলার উদাহরণ কোথায় সফল হয়েছে?
যিনি দেবিদ্বারের মানুষের জন্য কেন্দ্রীয় পদকেও তুচ্ছ মনে করেন, তাঁকে রাজনীতির বাইরে ঠেলে দেওয়ার চিন্তা বাস্তবতা বিবর্জিত। দেবিদ্বারের রাজনীতি কোনো ‘সিলেকশন’ নয়—এটা ইমোশন, এটা আত্মপরিচয়, এটা প্রতিরোধের ইতিহাস।
ভয়ের রাজনীতি বেশিদিন টেকে না। দেবিদ্বারবাসী সেটা জানে। তাই রক্তচক্ষু, ষড়যন্ত্র কিংবা প্রশাসনিক ছায়া—কোনোটাই এই জনস্রোতকে থামাতে পারবে না। ইতিহাসের চাকা ঘুরছেই, আর সেই ঘূর্ণিতে কার প্রত্যাবর্তন লেখা আছে, তা বুঝতে খুব বেশি রাজনৈতিক প্রজ্ঞার দরকার হয় না।
সময়ই শেষ কথা বলবে—আর সময় সাধারণত জনগণের পক্ষেই কথা বলে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com