1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর ডাক, ঐক্যের বার্তা ও উন্নয়নের রূপরেখা দিলেন তারেক রহমান ঢাকায় এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের তৃতীয় আন্তর্জাতিক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ গোয়ালমারী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের পক্ষে জোরালো নির্বাচনী প্রচারণা ভোটের দিনে বয়োবৃদ্ধদের জন্য রিকশার ব্যবস্থা থাকবে: আমিনুল হক জুলাই আন্দোলনে নিহত আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করলেন তারেক জিয়া মোহাম্মদপুরে স্কুল অ্যান্ড কলেজ স্থাপনের প্রতিশ্রুতি ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের জনতার মাঠে ধানের শীষ: পাঁচগাছিয়ায় মোশাররফ–মারুফের বার্তায় ভোটের হাওয়া কৃষি, গণতন্ত্র ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি : তারেক রহমানের কুমিল্লা-১ এ ধানের শীষের গণজোয়ার, উন্নত বাংলাদেশের ডাক অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারের নির্বাচনী প্রচারণায় হামলা- প্রশাসন নিরব

হলে একটা সিটের জন্য কেন দাসত্বের জিন্দেগি বেছে নিতে হবে: সমন্বয়ক আব্দুল কাদেরের প্রশ্ন

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ১৬১ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক: পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর হলে সিটের জন্য কেন ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠনের কাছে শিক্ষার্থীদের জিম্মি হয়ে থাকতে হবে সে বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আব্দুল কাদের।

শুক্রবার দিনগত রাতে নিজের ফেসবুকে আইডিতে এ সংক্রান্ত একটি স্ট্যাটাস দেন তিনি। সেখানে আব্দুল কাদের লেখেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশিভাগ শিক্ষার্থীই আমার মতো নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে আসে। অনেক স্বপ্ন নিয়ে ঢাবিতে আসে, সেই স্বপ্নগুলো গণরুমে পচতে থাকে। একটা সিটের জন্য ক্ষমতাসীন দলের কাছে জিম্মি হয়ে থাকা লাগে, তাদের হুকুমের গোলাম হয়ে বিশ্ববিদ্যালয় জীবন পার করে দিতে হয়।

ঢাবির হল জীবনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে তিনি বলেন, আমার অপরাধটা কোথায়? আমি গরিব ঘরের সন্তান, সেটা আমার অপরাধ নাকি ঢাবিতে চান্স পাওয়া আমার অপরাধ? আমাকে কেন একটা সিটের জন্য দাসত্বের জিন্দেগি বেছে নিতে হবে!

হল প্রশাসনের উদ্দেশে তিনি লেখেন, আমাদের দেখভালের দায়িত্বে থাকা শিক্ষকরা দায়-দায়িত্বের তোয়াক্কা না করে ক্ষমতাসীন দলের পাহারাদার হিসেবে কাজ করতেন, যেটা খুবই লজ্জাজনক ও বেদনাদায়ক।

এই সমন্বয়ক আরও বলেন, চব্বিশের জুলাই বিপ্লবের মধ্য দিয়ে ছাত্র-জনতার রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে যে প্রশাসনিক কাঠামো পুনর্গঠিত হয়েছে, যারা দায়িত্ব পেয়েছেন, তারা যেন শহিদ-আহতদের ত্যাগের কথা স্মরণ করে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেন, শহিদদের স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করেন, নিপীড়ন-নির্যাতন, দখলদারমুক্ত পরিবেশ তৈরি করেন।

‘এত এত শহিদের আত্মত্যাগের পরও আগামীতে কোনো শিক্ষার্থীর যেন আফসোস করে বলতে না হয়, “আমার ঢাবিতে চান্স পাওয়া অপরাধ নাকি গরিব ঘরের সন্তান হওয়া!” আজকে আমার হলের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকদের কাছে এই দাবিটা জানিয়ে আসলাম’।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com