1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ইসলামাবাদ বৈঠক চুক্তিহীন সমাপ্তি, নতুন করে আলোচনায় বসতে রাজি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পহেলা বৈশাখ জাতিসত্তা ও সংস্কৃতির অনন্য প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক মানে ফিরছে বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম, হচ্ছে অত্যাধুনিক স্পোর্টস ভিলেজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ব্যয় সংকোচন: ৯ খাতে সরকারি পরিচালন ব্যয় কমানোর নির্দেশ হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা: মার্কিন দুই ডেস্ট্রয়ার পিছু হটেছে—ইরানের দাবি টেলিনর সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক: ৫জি সম্প্রসারণ ও নতুন বিনিয়োগে আগ্রহ হরমুজ উত্তেজনায় তেলের দামে নতুন ঝাঁকুনি, ব্যারেল ১০৪ ডলারে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রুড ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনা ভেস্তে গেল—নেতানিয়াহুর ফোনকল নিয়ে ইরানের অভিযোগ *রাজধানীর মগবাজারে ‘স্বপ্ন’র নতুন আউটলেট চালু*

দেশে ফিরে যা বললেন এমভি আবদুল্লাহর ক্যাপ্টেন

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১৪ মে, ২০২৪
  • ১৫৩ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক : দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সোমালিয়ান জলদস্যুদের জিম্মিদশা থেকে মুক্ত বাংলাদেশি ২৩ নাবিক চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছেন। এমভি আবদুল্লাহর এই ২৩ নাবিকের বিষয়ে উৎকণ্ঠায় ছিল সারা দেশের মানুষ। তাই তাদের স্বাগত জানাতে নাবিকদের স্বজনদের বাইরেও উপস্থিত ছিলেন, বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, চট্টগ্রামের সিটি মেয়র, কেএসআরএমের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

২৩ নাবিকদের বহন করা লাইটার জাহাজ যখন বন্দরে পৌঁছায় তখন ছিল এক অভাবনীয় দৃশ্য। খুশিতে চোখের নোনা জল মুছছিলেন নাবিকদের মা-বাবা, স্ত্রী-সন্তানরা। প্রথমেই মাটিতে পা রাখেন এমভি আবদুল্লাহর ক্যাপ্টেন আব্দুর রশিদ। তাকে ঘিরে ধরেন সাংবাদিকরা। নানা বিষয় জানতে চান তার কাছ থেকে। এসময় সকল প্রশ্নের একটিই উত্তর ভেসে আসে তার কাছ থেকে। তিনি বলেন, সেফটি অব লাইফটাকে প্রাধান্য দিয়েছি আমি। তাইতো সোমালিয়ার দস্যুদের বন্দিদশা থেকে মুক্ত হয়ে আজ আমরা এখানে পৌঁছাতে পেরেছি। আমরা ২৩ নাবিকই পৌঁছাতে পেরেছি। আমাদের সরকার কৌশলগতভাবে সবার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। আমিও জীবনে প্রথম এমন পরিস্থিতিতে পড়েছিলাম। মনে ভয় ছিল, কিন্তু বডি ল্যাঙ্গুয়েজ স্বাভাবিক রেখেছি। সবাইকে হ্যান্ডেল করে, যেন আমাদের কোনো ক্রুর কোনো ক্ষতি না হয় সেদিকে নজর রাখি।

নৌবাহিনী প্রধানকে ধন্যবাদ জানিয়ে ক্যাপ্টেন আব্দুর রশিদ বলেন, আমি বলেছিলাম বিদেশি নৌ-বাহিনী যেন ভায়োলেন্স না করে, যাতে আমাদের নাবিকদের কারও প্রাণ না যায় বা জাহাজের কোনো ক্ষতি যেন না হয়। প্রথমদিন যখন আমরা দস্যু দ্বারা আক্রান্ত হলাম, তখন সেকেন্ড অফিসার ব্রিজে ছিলেন। আমি নিচে নেমে অ্যালার্ট দিচ্ছিলাম। সবকিছু অতি দ্রুত ঘটছে। দস্যুরা স্পিডবোটে এসে জাহাজে উঠে ব্রিজে চলে আসে। এসময় আমি আর সেকেন্ড অফিসার আমাদের হিডেন রুমে যেতে পারিনি।

লোমহর্ষক সে ঘটনা বর্ণনা দিতে গিয়ে রশিদ বলেন, সেকেন্ড অফিসার আটক হওয়ার পর আমি গিয়ে দেখি একে-৪৭ তাক করে আছে তার দিকে। আমি যেতেই আমার দিকেও একে-৪৭ তাক করে। আমি হাত তুলে সারেন্ডার করে বললাম, আমরা মুসলিম, আমরা বাংলাদেশি। আমরা রোজাদার বলে চিৎকার তুলি। আমি স্ট্রং ছিলাম। আমরা দুর্বল হয়ে পড়িনি।

মৃত্যুর হুমকি ছিল উল্লেখ করে ক্যাপ্টেন আব্দুর রশিদ আরও বলেন, এসময় তারা আমাদের সবাইকে ডাকতে বলে। এরপর আমাদের সবাইকে ব্রিজের মধ্যে সারাদিন সারারাত রেখে দেয়। আমাদের নাবিকদের কেউ কেউ কান্নাকাটিও করছিল। আমার মনে ভয় ছিল, কিন্তু বডি ল্যাঙ্গুয়েজ স্বাভাবিক রেখেছি। সবাইকে হ্যান্ডেল করে, যেন আমাদের কোনো ক্রুর কোনো ক্ষতি না হয় সেদিকে নজর রাখি।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com