1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
রাঙামাটিতে পুলিশের অভিযানে ১০ মাদক কারবারী আটক ইসরায়েলের হামলায় আইআরজিসির গোয়েন্দা প্রধান সাঈদ মাজিদ খাদেমি নিহত তেহরানে মার্কিন-ইসরাইলি হামলা: ছয় শিশু নিহত, মোট নিহত ১৩ হরমুজ প্রণালি খুলতে ট্রাম্পের আল্টিমেটাম, ইরানের পাল্টা হুঁশিয়ারি—উত্তেজনা চরমে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ, আজই একনেকের প্রথম বৈঠক 🗳️ সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট ১২ মে: তফসিল ঘোষণা ইসির খুলনায় সিকদার পাম্প থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ জ্বালানি উদ্ধার চাঁপাইনবাবগঞ্জে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন রিয়েল এস্টেটে পুরনো প্রচারণার সংকট, সমাধান ডিজিটাল রূপান্তরে রূপগঞ্জে ভূমিদস্যু ‘আন্ডা রফিক’ এর দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর প্রতিবাদ সভা

খুব ইচ্ছা ছিল একজন নারীকে প্রধান বিচারপতি করবো: প্রধানমন্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ২৬৩ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, একটা আফসোস রয়ে গেছে আমার, খুব ইচ্ছা ছিল একজন নারীকে আমি প্রধান বিচারপতি করে যাবো। কিন্তু আমাদের সমাজে এত বেশি কনজারভেটিভ, এগুলো ভাঙতে সময় লাগে। সেজন্য করতে পারেনি। এ আফসোসটা থেকে গেল। শনিবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বেগম রোকেয়া পদক-২০২৩ অনুষ্ঠানে তিনি এসব বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, জুডিশিয়াল সার্ভিসে নারীরা অংশগ্রহণ করতে পারবেন না, এটাই ছিল পাকিস্তানের আইন। স্বাধীনতার পর জাতির পিতা সমস্ত আইনগুলো পরিবর্তন করেন। এই আইন পরিবর্তনের পর থেকে আমাদের দেশের মেয়েরা জুডিশিয়াল সার্ভিসে যোগ দিতে পারছে। আমি সরকারে এসে দেখি আমাদের উচ্চ আদালতে কোনো নারী জজ নেই। তখন আমি উদ্যোগ নিলাম, মহামান্য রাষ্ট্রপতি, প্রধান বিচারপতির সঙ্গে কথা বলেছি, আইনমন্ত্রীর সঙ্গে বলেছি উচ্চ আদালতে কোনো জজ নিয়োগ দেয়া হলে তাতে যদি কোনো নারী জজের নাম না থাকে, আমি কখনো ওই ফাইল সই করব না, রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠাব না। সেই থেকে যাত্রা শুরু।

বেগম রোকেয়ার সময় মুসলমান মেয়েরা ঘরে অবরুদ্ধ থাকতো উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, লেখাপড়ার কোনো সুযোগ ছিল না।

তবে তার স্বামী সবসময় তাকে সহযোগিতা করেছেন, তার ভাই তাকে সহযোগিতা করেছেন। তিনি নিজের প্রচেষ্টায় উর্দু, বাংলা, আরবি, ইংরেজি, শিক্ষা যেগুলো গ্রহণ করার সেগুলো তার স্বামীর কাছ থেকে শিখেছেন। স্বামীর কাছে আক্ষরিক জ্ঞান এবং বই পড়ার শিক্ষা গ্রহণ করেন। স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি তার ভাইয়ের কাছ থেকেও একটি অনুপ্রেরণা পান। তার স্বামীর নামে একটি স্কুল তৈরি করেন। স্কুল তৈরির পরও তাকে অনেক বাধা বিপত্তি মোকাবিলা করতে হয়। কারণ, স্বামীর নামে যে স্কুল করেছিলেন সেখানে ছাত্রী পড়ানো যেত না। তিনি নিজের বাড়ির বাইরে গিয়ে ছাত্রী সংগ্রহ করে নিয়ে আসতেন। এটা করতে গিয়ে অনেক পরিবারের বাধা এবং অনেক প্রতিবন্ধকতা এসেছে। তিনি দমে যাননি কখনো। তার সাহসী ভূমিকা সব সময় আমরা স্মরণ করি।

অনুষ্ঠানে মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরার সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মন্ত্রণালয়ের সচিব নাজমা মোবারেক।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com