1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
অপপ্রচারের জবাবে ‘এন্টি-মিসাইল’ উপমা, সিলেটে জামায়াত আমিরের নির্বাচনী সমাবেশ রমজানের প্রস্তুতি হোক আধ্যাত্মিক—বাহ্যিক নয় ভারত–যুক্তরাষ্ট্রের ইনসাফ আমরা চাই না: চরমোনাই পীর রাজধানীতে দুই দিনে ১৪ জনসভায় বক্তব্য দেবেন তারেক রহমান সমৃদ্ধ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার তারেক রহমানের জুলাই মঞ্চের ওপর পুলিশি হামলার প্রতিবাদে আজ সংবাদ সম্মেলন কৃষিকে জাতীয় সমৃদ্ধির চালিকাশক্তিতে রূপান্তরের অঙ্গীকার বিএনপির কৃষক কার্ড, ঋণ মওকুফ, নিরাপদ খাদ্য ও আধুনিক কৃষির রূপরেখা ইশতেহারে রাষ্ট্র সংস্কার থেকে ডিজিটাল অর্থনীতি—৯ প্রতিশ্রুতির ইশতেহার ঘোষণা বিএনপির ‘সবার আগে বাংলাদেশ’—সংস্কার, পুনর্গঠন ও সুষম উন্নয়নের অঙ্গীকারে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা নাগরপুরে ধানের শীষের বিজয়ী করার লক্ষ্যে ছাত্রদলের মিছিল

সঞ্চয় ভেঙে চালাতে হচ্ছে সংসার!

রিপোর্টার
  • আপডেট : শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৩
  • ১৮০ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবি ডেস্ক: অর্থনৈতিক মন্দা ও বাজারে পণ্যের মূল্যস্ফীতিতে কমছে মানুষের আয় সক্ষমতা। এমন পরিস্থিতির মধ্যে ক্রমেই অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে রাজনৈতিক পরিবেশ। বিএনপির ডাকা হরতাল-অবরোধে বেকায়দায় পড়ছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। এমন বাস্তবতায় সঞ্চয় ভেঙে সংসার চালাতে হচ্ছে দেশের অনেক মানুষের।

অবরোধের কারণে ঢাকার সঙ্গে বাইরের জেলার বাস চলাচল প্রায় বন্ধ। যাত্রী না থাকায় অনেকটাই অলস সময় পার করছেন টিকিট কাউন্টারের প্রতিনিধিরা।

বাসচালকদের পরিস্থিতি আরও করুণ। বাস চলাচল বন্ধ, তাই আয়ও শূন্য। বাসচালকরা বলেন, আমরা কাজ করলে ছেলে-মেয়েদের নিয়ে ডালভাত খেতে পারি। কিন্তু এখন কাজ না থাকায় আমাদের অনাহারে-অর্ধাহারে দিন পার হচ্ছে।

অবরোধে দোকান বন্ধ রেখেছেন অনেক ব্যবসায়ী। যারা খোলা রেখেছেন তাদের অনেকেই পাচ্ছেন না পর্যাপ্ত ক্রেতা। তারা বলেন, আগে দিনে প্রায় ১৫ হাজার টাকা বিক্রি হতো। কিন্তু আজকে মনে হয় না ১৫ শ’ থেকে দুই হাজার টাকা বিক্রি করতে পেরেছি। বর্তমান পরিস্থিতিতে স্টাফদের বেতন দিতেই কষ্ট হচ্ছে।

মন্দা অর্থনীতির সঙ্গে মূল্যস্ফীতির চড়া মূল্য দিতে হচ্ছে ভোক্তাদের। খাবার কেনা কমিয়ে দিয়েছেন অনেকে।

দোকানিরা বলছেন, আগে আট লিটার সয়াবিন তেল বিক্রি হতো। এখন আট লিটার তেল বাজারে আসেই না। কারণ, এই তেল নেওয়ার মতো সক্ষমতা এখন কারও নেই।

তারা জানান, দোকানে সব পণ্যের সরবরাহ ভালো আছে। কোনো পণ্যের ঘাটতি নেই। কিন্তু বিক্রি আগে থেকে কমে গেছে। আগে যদি বিক্রি হতো ৫০ হাজার, এখন বিক্রি হচ্ছে ৩০ হাজার।

এমন পরিস্থিতিতে দেশের কর অঞ্চলগুলোতে চলছে মাসব্যাপী কর সেবা কর্মসূচি। রাজস্ব বোর্ডের প্রতিনিধিরা বলছেন, এবার অন্যান্য বছরের চেয়ে আয়কর রিটার্ন কম জমা পড়ছে।

অনেক করদাতার দাবি, আয়কর দেবেন কি, বরং জামানো সঞ্চয় ভেঙে খেতে হচ্ছে। তারা জানান, এখন মানুষ জমাতেই পারছেন না। ট্যাক্স দেবেন কোথা থেকে? এখন মানুষ পাঁচ টাকা বেশি ইনকাম করলেও পাঁচ টাকা বেশি খরচ হয়ে যাচ্ছে।আরটিভি

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com