1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ক্ষমতায় গেলে সময়মতো পে-স্কেল, প্রশাসনিক সংস্কার ও সামাজিক সুরক্ষার অঙ্গীকার তারেক রহমানের মানবিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের ভোটে ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতি ও আইনশৃঙ্খলায় কোনো আপস নয়: তারেক রহমান গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে ভোটই একমাত্র বৈধ শক্তি: ড. খন্দকার মোশাররফ ভোটের দিন মোবাইল নিষিদ্ধ: শৃঙ্খলা নাকি নিয়ন্ত্রণ? পবিত্র রমজান মাসের ফজিলত ও ইবাদত! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী। আজ বিটিভিতে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান, ডা. শফিকুর ও মামুনুল হক হাদির নামের রাজনীতি: নীরবতার দায় কার? ব্যয়ভার সামলাতে না পারায় ঢাকা-১৮ থেকে সরে দাঁড়ালেন মাহমুদুর রহমান মান্না ক্ষমতায় গেলে জলাবদ্ধতা দূর ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করবে বিএনপি: তারেক রহমান

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার নামে রাজনীতি যেনো অশুভ শক্তির হাতে চলে না যায়-কাজী মামুন।

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ১৫ জুলাই, ২০২৩
  • ১৬৪ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি রিপোর্ট : রাজনীতি অশুভ শক্তির হাতে তুলে দেয়ার ষড়যন্ত্র, কখনই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন হতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধী দলীয় নেতার মূখপাত্র কাজী মামুনূর রশীদ। তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা গণতন্ত্রের জন্য সুখকর নয়। তাদের অনেকের হাতে গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুন্য হয়েছে। লেভেল প্লেইং ফিল্ডের নামে কেউ কেউ এক পেশি নির্বাচন করেছেন।

পল্লীবন্ধু এরশাদের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার ১৫ জুলাই মানিকগঞ্জের সিংগাইর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত দোয় ও আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় কাজী মামুন বলেন, পল্লীবন্ধুর হাতেই দেশে দু দু’বার গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা পায়। ১৯৮৬ সালের ১০ নভেম্বর আজীবনের জন্য দেশের সংবিধানে সামরিক শাসন আসার পথ বন্ধ করে দিয়ে গেছেন এরশাদই। আর ৯০ এর ৬ ডিসেম্বর জনগণের চাওয়া পাওয়া ও দাবি মেনে ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে সংবিধান ও গণতন্ত্র রক্ষা করে গেছেন পল্লীবন্ধু।

তিনি বলেন, জনগণ ও গণতন্ত্রের প্রতি একমাত্র এরশাদই শ্রদ্ধাবোধ দেখিয়ে গেছেন। রাজনীতিতে উদারতাও ছিল তাঁর। কিন্তু সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যে অস্থায়ী সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হয়েছিল, তারাই সুষ্ঠু নির্বাচনকে কুলষিত করেছেন। পল্লীবন্ধু ও জাতীয় পার্টির নির্বাচন এবং রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নেয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার। তিনি বলেন, এমপি মন্ত্রী ও শীর্ষনেতাদের উপর জেল-জুলুম,মামলা-হামলা চালিয়ে পার্টির নেতাকর্মীদের নির্বাচনে অংশ নিতে দেয়া হয়নি। তত্ত্বাবধায়ক সরকারগুলো সব সময় কোনো না কোনো দলের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করেছে।

বিরোধী দলীয় নেতার মূখপাত্র বলেন, উপমহাদেশে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সংস্কারক পল্লীবন্ধু এরশাদের উন্নয়নে ভীত হয়ে তাঁকে সেদিন টিভি-রেডিওতে ভাষণ দিতে দেয়া হয়নি। তারপরও সে নির্বাচনে কারাবন্দি এরশাদ পাঁচ পাঁচটি আসনে বিজয়ী হন। দল ৩৫টি আসনে জয়লাভ করে। আর প্রায় ৭৮টি আসনে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন লাঙ্গলের প্রার্থীরা।

কাজী মামুন বলেন, এসব আসনে দলের অধিকাংশ প্রার্থীকে ভোট গণনায় পরাজিত দেখানো হয়। আমাদের অনেক নেতাকে জয়ী ঘোষণা করে, রাত গভীরে হারানো হয়। তিনি বলেন, ৯১ এর নির্বাচনে সারাদেশ থেকে যখন লাঙ্গলের প্রার্থীদের বিজয়ের তথ্য আসতে শুরু করে, তখন শঙ্কিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও তাদের মিত্ররা রাতের অন্ধকারে ১শ আসনে আমাদের বিজয়রথ থামিয়ে দেয়।

তিনি বলেন, সেদিন হামলা মামলার কারণে দলের নেতাকর্মীরা মাঠে আসতে না পারায় তত্ত্বাবধায়ক ও বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীদের সহযোগিতায় জাতীয় পার্টির বিজয় ছিনিয়ে নেয়া হয়।

প্রধান আলোচকের বক্তব্যে সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী গোলাম সারোয়ার মিলন বলেন, সিংগাইরের উন্নয়নে জাতীয় পার্টির বিকল্প নেতৃত্ব নেই। প্রধানমন্ত্রীর যোগ্য নেতৃত্বে সারাদেশে অকল্পনীয় উন্নয়ণ হলেও সিংগাইর বরাবরই বঞ্চিত। তিনি বলেন, পাশ্ববর্তী সাভার-কেরানীগঞ্জে যে উন্নয়ণ হয়েছে, তার ১০ শতাংশও হয়নি সিংগাইর-হরিরামপুরে।

এসময় তিনি বলেন, ঢাকার সঙ্গে জেলা শহরের সংযোগ প্রতিষ্ঠায় হেমায়তপুর-সিংগাইর-মানিকগঞ্জ সড়ক নির্মাণ করে গেছেন এরশাদ। দোয়া মাহফিলে উপস্থিত নেতাকর্মী ও স্থানীয় মুরব্বিদের হাত উঁচিয়ে সাবেক মন্ত্রী বলেন, এটা ভুলে গেলে চলবে না। সিংগাইর-মানিকগঞ্জে ব্যাপক উন্নয়ণ করে গেছেন পল্লীবন্ধু এরশাদ। সিংগাইরে আগামীতে যোগ্য নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার জোর দাবি জানান গোলাম সারোয়ার মিলন।

সাবেক ছাত্রনেতা খন্দকার মনিরুজ্জামান টিটু বলেন, দলের ভেতর থেকে পল্লীবন্ধুর নাম মুছে ফেলার ষড়যন্ত্র হচ্ছে। সাহেব-বেগম-গোলামদের দখলে শেফেদা বেগম-মান্নানরা মানিকগঞ্জের মাঠিতে বসে গোলাম সারোয়ার মিলনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। সাংবিধানিক ধারা ধ্বংসে ইহুদিদের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করছেন। মনে রাখবেন বাংলার মাটিতে পল্লীবন্ধুর একজন সৈনিকের গায়ে রক্ত থাকতেও অশুভ শক্তিকে ক্ষমতায় বসানোর ষড়যন্ত্র সফল হতে দেয়া হবে না। তিনি বলেন, নির্বাচনকালীন সরকারের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে অনেকের। লু-উজরা-মুসাদরা ক্ষমতায় বসিয়ে দেবেন, এমনটা ভেবেছিলেন কেউ কেউ।

সিংগাইর উপজেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সভাপতি আবুল বাশারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া ও আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন জাতীয় ছাত্র সমাজের কেন্দ্রীয় আহবায়ক ফকির আল মামুন, জাপা নেতা আব্দুল আজিজ চৌধুরী, ছাত্র সমাজের কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব আবু সাঈদ লিয়ন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. আবুল কামাল আজাদ, মো. শহিদুল ইসলাম(মেম্বার), সাখায়াত হোসেন, আমির হোসেন খোকা, আব্দুস সাত্তার খান, পৌর জাপার সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন খোকা, বশির আহমেদ মেম্বার, সিংগাইর সদর ইউনিয়ন জাপার সাধারণ সম্পাদক মো.রজ্জব আলী, মো. মারুফ হোসেন, আব্দুল মান্নান, যুবনেতা আদিল মাহমুদ, ছাত্রনেতা মিলন মাহমুদ প্রমূখ।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com