1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ভিন্ন দল ভিন্ন পথ, দেশের প্রশ্নে ঐক্যমত—জুলাই মঞ্চের ১২১ সদস্যের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি পুনর্গঠন বাংলাদেশে এসডিজি-৪ অগ্রগতি ও চ্যালেঞ্জ: আগামী সরকারের কাছে প্রত্যাশা নাগরিক সমাজের সুপারিশ তুলে ধরে মতবিনিময় সভা বিশ্ব ক্যান্সার দিবস উপলক্ষে উত্তরা লেডিস ক্লাবে সচেতনতা সেমিনার বারপাড়া ইউনিয়ন পথসভায় বিএনপির শক্তি প্রদর্শন দাউদকান্দিকে জেলা ঘোষণার প্রত্যয় ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের কুমিল্লা–০১ আসনে বিএনপির গণসংযোগে উদ্দীপনা, জুরানপুরে শতভাগ ভোটের প্রত্যাশা প্রচারণার ১২তম দিনে দাউদকান্দিতে ধানের শীষের গণজাগরণ সুন্দুলপুরে জনতার ঢল, পরিবর্তনের পক্ষে স্পষ্ট বার্তা নারীদের ক্ষমতায়ন ছাড়া রাষ্ট্রের অগ্রগতি অসম্ভব: তারেক রহমান জামায়াত চায় মেয়েরা যেন ঘরে বসে থাকে :মির্জা ফখরুল দাউদকান্দিকে জেলা ঘোষণার প্রতিশ্রুতি, ধর্মের অপব্যবহারের রাজনীতির বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি — ড. খন্দকার মোশাররফ ধানের শীষের পক্ষে বীরগঞ্জে গণজোয়ার, তিন ইউনিয়নে একযোগে বিএনপির জনসভা

‘নরখাদক দম্পতি’: খুন করে মানুষের মাংস নিজেরা খেতো এবং বিক্রী করতো

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ৩১ আগস্ট, ২০২২
  • ৩৫০ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক : রাশিয়ার ক্রাসনোদার এলাকার দম্পতি দিমিত্রি বকশিভা এবং নাতালিয়া বকশিভা। পরিচিতি পেয়েছেন,‘নরখাদক দম্পতি’ হিসেবে। খুনের আগে শারীরিক নির্যাতন চালাতো এই দম্পতি।

তারপর মাংসের টুকরা লবণপানিতে হিমায়িত করে সংরক্ষণ করে খেতো এবং বিক্রীও করতো। যারা কিনতেন তারা বুঝতেও পারতেন না।

প্রথমে এক স্থানীয় নারীকে খুন করার অভিযোগ ওঠে এই দম্পতির নামে। ধীরে ধীরে এই দম্পতির খুনের সংখ্যা আরো বাড়তে থাকে। অভিযোগ, খুন করার পর তাদের মাংসও খেত এই দম্পতি।

৩০টি খুনের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে এই দম্পতিকে ২০১৯ সালে কারাগারে পাঠানো হয়।

১৯৮২ সালে দিমিত্রি এবং ১৯৭৫ সালে জন্ম নাতালিয়ার। কিছু সময়ের জন্য নাতালিয়া একটি স্থানীয় সেনা স্কুল পরচ্ছন্নতাকর্মীর কাজ করতেন। মদ্যপানের অভ্যাস থাকার কারণে তাকে সেই স্কুল থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল।

দিমিত্রির নামও অনেক আগেই পুলিশের খাতায় উঠেছিল। ডাকাতি এবং গাড়ি চুরির জন্য তাকে জেলেও যেতে হয়। জেল থেকে ফেরার পর সে বাড়ি মেরামতির কাজ করতে শুরু করে।

২০১২ সাল থেকে এই দম্পতি একটি ছাত্রাবাসের ঘরে একসঙ্গে থাকতে শুরু করে। এই ঘর নাতালিয়া তার আগের স্বামীর কাছ থেকে পেয়েছিল। দিমিত্রি এবং নাতালিয়ার একসঙ্গে অপরাধ জীবনের সূত্রপাত এই ঘর থেকেই।

কিন্তু কীভাবে এই দম্পতির যাবতীয় অপরাধের ঘটনা পুলিশের হাতে আসে?
এক বার নিজের মোবাইল ফোন হারিয়ে ফেলে দিমিত্রি। এই মোবাইল ফোন হারানোই কাল হয় দিমিত্রি এবং নাতালিয়ার জন্য। প্রকাশ্যে আসে এই দম্পতির যাবতীয় অপরাধের ঘটনা।

দিমিত্রির হারানো মোবাইল হাতে আসে এক দল নির্মাণ শ্রমিকের। ফোন খুলে তারা দেখেন, এক নারীর মৃতদেহের সঙ্গে দিমিত্রির ছবি। এর মধ্যে একটি ছবিতে দিমিত্রিকে মৃতদেহের পা মুখে করে ধরে থাকতেও দেখা যায়।

ছবিগুলি দেখে সঙ্গে সঙ্গে ফোন নিয়ে পুলিশের কাছে যান ওই শ্রমিকরা।

ফোন পেয়ে দিমিত্রিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠায় পুলিশ। দিমিত্রি জানায়, একটি ঝোপের মধ্যে সে এই নারীর দেহাবশেষ খুঁজে পেয়েছিল। কিন্তু খুনের কথা অস্বীকার করে দিমিত্রি।

তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, দিমিত্রির হাতেই খুন হয়েছেন ওই নারী। খুনে সঙ্গ দিয়েছেন নাতালিয়াও। মৃত ওই নারীর নাম এলেনা ভাখরুশেভা। ২০১৭ সালের ৮ সেপ্টেম্বর এক সঙ্গে মদ্যপানের পর নাতালিয়া এবং এলেনার মধ্যে হঠাৎ ঝগড়া শুরু হয়। এরপর এলেনাকে নৃশংসভাবে খুন করে নাতালিয়া এবং দিমিত্রি।

ছুরির একাধিক আঘাতে খুন করা হয় এলেনাকে। এরপর বকশিভা- দম্পতি এলেনার মৃতদেহ টুকরো টুকরো করে আশপাশের এলাকায় আলাদা আলাদা করে ফেলে দেয়। এর মধ্যে কিছু দেহাবশেষ বাড়িতেও রেখে দেওয়া হয়।

দম্পতির বা়ড়িতে তল্লাশি করতে গিয়ে লবণপানিতে হিমায়িত করে রাখা মানবদেহের আলাদা আলাদা টুকরা উদ্ধার করে পুলিশ। পরীক্ষা করে দেখা যায় হিমায়িত করে রাখা এই টুকরোগুলি আলাদা আলাদা মানুষের।

দিমিত্রি এবং নাতালিয়ার বিরুদ্ধে একাধিক খুনের অভিযোগ এনে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। দিমিত্রির ফোন ঘেঁটে উদ্ধার করা হয় আরো অনেক ছবি। যার মধ্যে ১৯৯৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর তোলা একটি ছবিতে দেখা যায়, দিমিত্রি মানবদেহের কাটা মুণ্ড একটি থালায় রেখে ছবি তুলেছে। শহর জুড়ে দম্পতির নরখাদক হওয়ার জল্পনা আরও জোরালো হতে শুরু করে।

দ্রুত গুজব ছড়াতে শুরু করে যে, ১৯৯৯ সাল থেকেই মানুষ খুন করে তাদের মাংস থেকে শুরু করেছিল এই দম্পতি। এ কথাও ছড়িয়ে পড়ে, খুনের আগে শিকারদের উপর শারীরিক নির্যাতনও চালাতো তারা।

অভিযোগ ওঠে, দম্পতি খুনের পর মৃতদেহগুলি রান্না করে খেত। নিজেরা খাওয়ার পাশাপাশি এই মাংস সংরক্ষণ করে বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করা হতো বলেও অভিযোগ ওঠে।

একই সঙ্গে এ-ও অভিযোগ উঠেছিল, নাতালিয়া যে সেনা স্কুলে কাজ করত সেখানেও সংরক্ষণ করা মানুষের মাংস সরবরাহ করা হতো। তবে যারা এই মাংস কিনতেন, তাদের ন্যূনতম ধারণা ছিল না যে, তারা মানুষের মাংস কিনছেন।

পুলিশি জেরার মুখে এই দম্পতি মোট ৩০ জনকে খুন করার কথা স্বীকার করে নেয়। ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে নাতালিয়াকে রাশিয়ার এক আদালতে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। একাধিক খুনে প্ররোচনা দেওয়ার জন্য তাকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত। নাতালিয়াকে সাড়ে ১১ বছরের জেলের সাজা দেওয়া হয়। নাতালিয়া একাধিক আবেদন করার পরেও আদালতের পক্ষে সিদ্ধান্ত বদল হয়নি।

২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে নাতালিয়াকে রাশিয়ার এক আদালতে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। একাধিক খুনে প্ররোচনা দেওয়ার জন্য তাকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত। নাতালিয়াকে সাড়ে ১১ বছরের জেলের সাজা দেওয়া হয়। নাতালিয়া একাধিক আবেদন করার পরও আদালতের পক্ষে সিদ্ধান্ত বদল হয়নি।

২০১৯ সালের ২৮ জুন দিমিত্রিকেও ১২ বছরের কারাদণ্ডের সাজা শোনানো হয়। পাশাপাশি তাকে একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে থাকারও পরামর্শ দেয় আদালত। ২০২০-এর ১৬ ফেব্রুয়ারি হেফাজতে থাকাকালীনই মধুমেহ রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায় দিমিত্রি। সূত্র: আনন্দবাজার

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com