1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপিকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করার লক্ষ্যে বিএনপি নেতা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেইনের স্বদেশ আগমন গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর ডাক, ঐক্যের বার্তা ও উন্নয়নের রূপরেখা দিলেন তারেক রহমান ঢাকায় এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের তৃতীয় আন্তর্জাতিক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ গোয়ালমারী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের পক্ষে জোরালো নির্বাচনী প্রচারণা ভোটের দিনে বয়োবৃদ্ধদের জন্য রিকশার ব্যবস্থা থাকবে: আমিনুল হক জুলাই আন্দোলনে নিহত আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করলেন তারেক জিয়া মোহাম্মদপুরে স্কুল অ্যান্ড কলেজ স্থাপনের প্রতিশ্রুতি ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের জনতার মাঠে ধানের শীষ: পাঁচগাছিয়ায় মোশাররফ–মারুফের বার্তায় ভোটের হাওয়া কৃষি, গণতন্ত্র ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি : তারেক রহমানের

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৩ বার দেখা হয়েছে

ইতিহাস গড়া এক বিয়ে: নীরব ভালোবাসা থেকে রাষ্ট্রনায়কত্বের পথে
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস কেবল আন্দোলন, সংগ্রাম আর ক্ষমতার পালাবদলের গল্প নয়—এ ইতিহাসে রয়েছে নীরব ত্যাগ, নিভৃত ভালোবাসা ও আত্মনিবেদনের অনন্য অধ্যায়। তেমনই এক অধ্যায়ের সূচনা হয়েছিল ১৯৬৮ সালে—একটি সাধারণ বিয়ের মাধ্যমে।
বর ছিলেন তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান, আর কনে বেগম খালেদা জিয়া। কোনো জাঁকজমক নয়, ক্ষমতার কোনো প্রদর্শনী নয়—ধর্মীয় ও পারিবারিক আবহে সম্পন্ন সেই বিবাহই পরবর্তীতে বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গভীর তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়ে রূপ নেয়।
সাধারণ সূচনায় অসাধারণ ভবিষ্যৎ
শৃঙ্খলা, সততা ও দায়িত্ববোধে গড়া এক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান এবং শান্ত, পর্দাশীল ও আত্মমর্যাদাশীল এক নারী খালেদা জিয়া—পারিবারিক সম্মতিতে গড়ে ওঠা এই দাম্পত্য ছিল পরিমিত, সংযত ও দৃঢ়। সে সময় কেউ ভাবেনি, এই সাধারণ সংসার থেকেই জন্ম নেবে একটি জাতির নেতৃত্বের শক্ত ভিত।
নীরব ত্যাগের দাম্পত্য
সেনা জীবনের বাস্তবতায় ছিল ঘন ঘন বদলি, অস্থায়ী ঠিকানা, সীমিত আয় আর অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ। এসব কিছুর মাঝেও বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন নীরব শক্তির প্রতীক—অভিযোগহীন, ধৈর্যশীল ও বিশ্বাসে অবিচল। তাঁর নীরব সহনশীলতাই ছিল জিয়াউর রহমানের সাহসের এক অদৃশ্য প্রেরণা।
১৯৭১: ভালোবাসা ও আত্মত্যাগের অগ্নিপরীক্ষা
মুক্তিযুদ্ধের উত্তাল সময়ে মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে ইতিহাসে অমর হয়ে ওঠেন। অন্যদিকে বেগম খালেদা জিয়াকে সহ্য করতে হয় বন্দিত্ব, ভয় আর অনিশ্চয়তার কঠিন দিন। তবু তিনি ভেঙে পড়েননি। সেই সময়ই প্রমাণিত হয়—এই দাম্পত্য কেবল প্রেমের নয়, আত্মত্যাগেরও এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
পরিবার থেকে রাজনীতির ধারাবাহিকতা
এই দাম্পত্য জীবনেই জন্ম নেন তারেক রহমান ও মরহুম আরাফাত রহমান কোকো। এই পরিবার থেকেই ধীরে ধীরে বিকশিত হয় বাংলাদেশের অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক ধারা, যা দেশের রাজনীতিতে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব রেখে চলেছে।
শাহাদাতের পর নতুন অধ্যায়
১৯৮১ সালের ৩০ মে শহীদ হন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। সেই মুহূর্তে বেগম খালেদা জিয়া হয়ে পড়েন স্বামীহারা। কিন্তু শোক তাঁকে ভাঙতে পারেনি। বরং সেই শোক থেকেই জন্ম নেয় এক দৃঢ় রাজনৈতিক অভিযাত্রা। তিনি রাজনীতিতে প্রবেশ করে তিনবারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশকে নেতৃত্ব দেন—সংকল্প, দৃঢ়তা ও সাহসিকতার সঙ্গে।
ঐতিহাসিক মূল্যায়ন
এই বিয়ে ছিল ভালোবাসার, ত্যাগের, সংগ্রামের ও নেতৃত্বের এক অনন্য সমন্বয়। শহীদ জিয়াউর রহমানের সাহস আর বেগম খালেদা জিয়ার দৃঢ়তা মিলেই রচিত হয়েছে বাংলাদেশের ইতিহাসের এক অমর অধ্যায়—যা সময় পেরিয়েও জাতির স্মৃতিতে উজ্জ্বল।
দোয়া
আল্লাহ তাআলা শহীদ প্রেসিডেন্ট মেজর জিয়াউর রহমানকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন এবং মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন—আমিন।
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com