1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
দেশনেত্রীর প্রয়াণ, রাষ্ট্রের ব্যর্থতা ও ইতিহাসের কাঠগড়া কাশীপুর বেলগাছিয়া কেন্দ্র তৃণমূল কংগ্রেস আয়োজিত– ফুড ফেস্টিভ্যালের শুভ সূচনা হলো। নাগরিক শোকসভায় নেতৃত্বের সৌজন্য ও রাজনৈতিক শিষ্টাচার অপরাজেয়তার উত্তরাধিকার: বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক মহিমা রংপুরে অজ্ঞান অবস্থায় স্বতন্ত্র প্রার্থী উদ্ধার রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর। খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় দাউদকান্দিতে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল রাজনীতির ঊর্ধ্বে নাগরিক শোক: খালেদা জিয়ার স্মরণে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ব্যতিক্রমী শোকসভা সত্য, আদর্শ ও মেধার শতবর্ষী অভিযাত্রা ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্রের ভাই ওমর বিন হাদির কূটনৈতিক নিয়োগ উত্তরার সাততলা ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: এক পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৫

নাগরিক শোকসভায় নেতৃত্বের সৌজন্য ও রাজনৈতিক শিষ্টাচার

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২৬ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গ নিউজ বিডি প্রতিবেদক : জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে আজ বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে আয়োজিত নাগরিক শোকসভা কেবল একটি আনুষ্ঠানিক স্মরণানুষ্ঠান ছিল না; এটি রাজনৈতিক শিষ্টাচার, নেতৃত্বের বিনয় ও মানবিকতার এক নীরব কিন্তু শক্তিশালী বার্তা বহন করেছে। দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রথিতযশা নাগরিকদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে দুটি ঘটনা বিশেষভাবে দৃষ্টি কেড়েছে, যা তারেক রহমানের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে নতুন মাত্রায় উন্মোচিত করেছে।
অনুষ্ঠান চলাকালীন এক মুহূর্তে দেখা যায়, তারেক রহমান তাঁর কন্যা জাইমা রহমানের দিকে তাকিয়ে কিছু বলছিলেন। ঠিক সেই সময় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তাঁর দিকে এগিয়ে আসেন। প্রথমে বিষয়টি তারেক রহমানের নজরে না পড়লেও, নজর পড়ামাত্রই তিনি সঙ্গে সঙ্গে দাঁড়িয়ে পড়েন। মির্জা ফখরুল তখন স্নেহভরে তাঁর হাতে চাপ দিয়ে বসিয়ে দেন। দৃশ্যটি ছিল সংক্ষিপ্ত, কিন্তু তাৎপর্যে গভীর। সুপ্রিম লিডার হয়েও দলের একজন সিনিয়র নেতার প্রতি এমন স্বতঃস্ফূর্ত সম্মান প্রদর্শন রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে এক ইতিবাচক দৃষ্টান্ত।
বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘ অসুস্থতা ও তারেক রহমানের নির্বাসনকালে দলের ভার বহনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যে ভূমিকা রেখেছেন, তা দলের ভেতরে-বাইরে সর্বজনবিদিত। দেশি-বিদেশি নানা ষড়যন্ত্রের মুখে বিএনপিকে ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা করতে তাঁর ত্যাগ, প্রজ্ঞা ও রাজনৈতিক বিচক্ষণতা ছিল নির্ধারক। দেশে ফেরার পর তারেক রহমানের আচরণে সেই অবদানের সর্বোচ্চ স্বীকৃতি স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে।
আরেকটি ঘটনায় রাজনৈতিক সৌজন্যের পাশাপাশি মানবিকতার প্রকাশ আরও স্পষ্ট। প্রতিবন্ধী মানুষের অধিকার নিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে কাজ করা আবদুস সাত্তার দুলালকে হুইলচেয়ারে করে নিয়ে যাওয়ার সময় তারেক রহমান নিজ আসন থেকে উঠে নুয়ে তাঁর সঙ্গে করমর্দন করেন, স্বাস্থ্যের খোঁজ নেন। ক্ষমতার উচ্চতায় থেকেও একজন প্রতিবন্ধী অধিকারকর্মীর প্রতি এমন সম্মান ও আন্তরিকতা রাজনীতির মানবিক মুখকে সামনে আনে।
এ শোকসভায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যখন তারেক রহমানের কাছে এসে জানতে চান তিনি বক্তব্য দেবেন কি না, তখন তারেক রহমান স্পষ্টভাবে জানান—এটি নাগরিক সমাজের আয়োজন, তাঁদেরই কথা বলার অধিকার; তিনি বক্তব্য দেবেন না। এই সিদ্ধান্তে রাজনৈতিক পরিমিতিবোধ ও গণতান্ত্রিক শিষ্টাচারের প্রতি শ্রদ্ধা প্রতিফলিত হয়েছে।
রাজনীতিতে অনেক সময় বড় ভাষণ বা উচ্চকণ্ঠ বক্তব্য নয়, বরং এমন ছোট ছোট আচরণই নেতাকে ‘গ্রেট’ করে তোলে। শৈশবে শোনা একটি কথাই এখানে প্রাসঙ্গিক—মানুষ আদবকায়দা শেখে ঘর থেকেই। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার ব্যক্তিত্বে যে বিনয়, সৌজন্য ও মানুষকে আপন করে নেওয়ার গুণাবলি ছিল, তারই ধারাবাহিকতা আজ তারেক রহমানের আচরণে দৃশ্যমান।
নাগরিক শোকসভার এই দুটি দৃশ্য তাই কেবল ব্যক্তিগত সৌজন্যের গল্প নয়; এটি বাংলাদেশের রাজনীতিতে নেতৃত্বের নৈতিকতা, শ্রদ্ধাবোধ ও মানবিকতার এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com