1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মা–বাবার কবর জিয়ারতে গণতন্ত্রের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত তারেক রহমান পোর্ট কলোনীতে জননেতা আমির খসরু মাহামুদ চৌধুরীর ধানের শীষের সমর্থনে গন মিছিল……. ক্ষমতায় গেলে সময়মতো পে-স্কেল, প্রশাসনিক সংস্কার ও সামাজিক সুরক্ষার অঙ্গীকার তারেক রহমানের মানবিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের ভোটে ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতি ও আইনশৃঙ্খলায় কোনো আপস নয়: তারেক রহমান গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে ভোটই একমাত্র বৈধ শক্তি: ড. খন্দকার মোশাররফ ভোটের দিন মোবাইল নিষিদ্ধ: শৃঙ্খলা নাকি নিয়ন্ত্রণ? পবিত্র রমজান মাসের ফজিলত ও ইবাদত! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী। আজ বিটিভিতে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান, ডা. শফিকুর ও মামুনুল হক হাদির নামের রাজনীতি: নীরবতার দায় কার?

৬৪ জেলায় ফের শোডাউন করবে বিএনপি

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১১ মে, ২০২৩
  • ১৫৮ বার দেখা হয়েছে

গত মঙ্গলবার রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে নতুন কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার পর গতকাল দলের সাংগঠনিক সম্পাদকদের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।

জানা গেছে, গতকাল নয়া পল্টনে বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদকদের একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও ভার্চুয়ালি অংশ নেন। বৈঠকে আগামী ২০ মে থেকে জেলা পর্যায়ে সমাবেশের নতুন কর্মসূচি শুরু করার সিদ্ধান্ত হয়। ৪ পর্বে প্রতি শনিবার এই কর্মসূচি পালন করা হবে। আগামী ১৩ মে ঢাকায় বিএনপির সমাবেশ থেকে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

রোজার ঈদের পর ১৫ দিনের বেশি সময় পার হয়ে গেলেও এখনো পর্যন্ত রাজপথে নির্বাচনী ইস্যুতে কোনো কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামেনি বিএনপি। আগামী ২০ মে থেকে তারা ফের পুরোদমে মাঠে নামছে।

জানা গেছে, ঈদুল আজহার আগ পর্যন্ত জেলা পর্যায়ে সমাবেশের এই কর্মসূচি চলবে। কোরবানির ঈদের পর রাজধানী অভিমুখে বিভিন্ন কর্মসূচির কথা ভাবা হচ্ছে। বিএনপির মিত্ররা নতুন কর্মসূচি হিসেবে ঢাকা থেকে বিভাগ অভিমুখে রোডমার্চের প্রস্তাব দিলেও তা নির্বিঘ্নে করতে পারা নিয়ে সংশয় থাকায় এ ধরনের কর্মসূচিতে আগ্রহী নন বিএনপির নীতিনির্ধারকরা। এ ছাড়া হরতাল-অবরোধের মতো কঠোর কর্মসূচিতেও যেতে চায় না দলটি।

গত মঙ্গলবার রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির ভার্চুয়াল বৈঠকে নতুন কর্মসূচি হিসেবে বিভিন্ন প্রস্তাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচনায় কোরবানির ঈদের পর রাজধানীকেন্দ্রিক কর্মসূচির ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন নেতারা। সে ক্ষেত্রে ঢাকা ঘেরাও, ঢাকামুখী রোডমার্চ, ঢাকায় অবস্থান কর্মসূচি আসতে পারে। তবে চূড়ান্ত আন্দোলনের পর্বটি ঠিক কখন শুরু করা হবে, কত দিন সেটি চলবে- তা নিয়ে নীতিনির্ধারকেরা নানা হিসাব-নিকাশ কষছেন।

আন্দোলনের নতুন কর্মসূচি প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সম্প্রতি বলেছেন, আন্দোলন একটা ঢেউয়ের মতো। এটা কখনো উঠে, কখনো নামে। জনগণের পরিপ্রেক্ষিত বুঝে আন্দোলনটা করতে হয়। যেমন রোজার মাসে মুসলমানরা স্বাভাবিকভাবে রোজা রাখেন, সে দিকে খেয়াল রাখতে হয়। আন্দোলনের যারা অংশীদার আছেন, শরিক দলগুলো আছেন, তাদের সাথে আলোচনা করে আমরা চূড়ান্ত আলোচনার পর্যায়ে এসেছি। শিগগিরই নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে নতুন কর্মসূচি প্রণয়ন ছাড়াও যুগপৎ আন্দোলনের যৌথ ঘোষণাপত্র প্রণয়ন, গণতন্ত্র মঞ্চ থেকে গণ অধিকার পরিষদের বেরিয়ে যাওয়া, জিয়াউর রহমানের শাহাদতবার্ষিকী পালনসহ চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

জানা গেছে, বৈঠকে যুগপৎ আন্দোলনের যৌথ ঘোষণাপত্র হিসেবে গণতন্ত্র মঞ্চের দেয়া ৩৫ দফা খসড়া রূপরেখা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিএনপির ১০ দফা দাবি ও রাষ্ট্র মেরামতের ২৭ দফা রূপরেখার সাথে গণতন্ত্র মঞ্চের ১৪ দফা এবং যৌথ ঘোষণাপত্র হিসেবে ইতোমধ্যে বিএনপি ও গণতন্ত্র মঞ্চের উদ্যোগে প্রণিত ৭ দফা খসড়া রূপরেখার সমন্বয়ে এই ৩৫ দফা খসড়া রূপরেখা প্রণয়ন করা হয়েছে। তবে বিএনপি ১০ দফা ও ২৭ দফা থেকে সরতে চায় না। দলটি ১০ দফার ভিত্তিতে পরিচালিত যুগপৎ আন্দোলন সফল করে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে জাতীয় সরকার গঠন করে রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ২৭ দফা রূপরেখা বাস্তবায়ন করতে চায়।

গত ১০ ডিসেম্বর ঢাকার বিভাগীয় গণসমাবেশ থেকে দশ দফার ভিত্তিতে যুগপৎ আন্দোলনের ঘোষণা দেয় বিএনপি। এরপর রাষ্ট্রের সার্বিক সংস্কারে গত ১৯ ডিসেম্বর রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ২৭ দফা রূপরেখা ঘোষণা করে দলটি। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা এবং চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ঘোষিত ‘ভিশন-২০৩০’-এর আলোকে ২৭ দফার ওই রূপরেখা প্রস্তুত করা হয় বলে দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়। ভবিষ্যতে ক্ষমতায় গেলে কী কী করতে চায়, ওই রূপরেখার মধ্যে সেটা স্পষ্ট করেছে বিএনপি। পরে তারা ২৭ দফার পক্ষে জনমত গড়ে তুলতে সারা দেশের বিভাগীয় পর্যায়ে সেমিনারে এবং পুস্তিকা আকারে ঢাকার বিভিন্ন বিদেশী দূতাবাসসহ নানা শ্রেণিপেশার মানুষের কাছে বিতরণ করে।

বিএনপি নেতাদের দাবি, ১০ দফা দাবি ও ২৭ দফা রূপরেখা একটা ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছে, মানুষ ইতোমধ্যে এটিকে গ্রহণ করেছে। সুতরাং ২৭ দফা থেকে তারা সরবে না। প্রয়োজনবোধে মিত্রদের অন্য দাবিগুলো ২৭ দফা রূপরেখায় উপদফা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। বৈঠকে যৌথ ঘোষণাপত্র নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হলেও কোনো সমাধান হয়নি। বিষয়টি নিয়ে এখন গণতন্ত্র মঞ্চসহ যুগপৎ মিত্রদের সাথে আলোচনাসাপেক্ষে একটি সমাধানে পৌঁছাতে চায় দলটি।

বিএনপির নেতৃত্বে পরিচালিত সরকারবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ মিত্র গণতন্ত্র মঞ্চ থেকে গত শনিবার বেরিয়ে গেছে গণ অধিকার পরিষদ। তবে দলটি যুগপৎ আন্দোলনে পৃথকভাবে অংশগ্রহণ করবে বলে জানিয়েছে। তবে গণতন্ত্র মঞ্চ থেকে গণ অধিকার পরিষদের বেরিয়ে যাওয়ার পেছনে সরকারের ইন্ধন রয়েছে বলে সন্দেহ কোনো কোনো শরিক দলের। এ বিষয়টি নিয়ে অবশ্য উদ্বিগ্ন নয় বিএনপি।

এ দিকে আগামী ৩০ মে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪২তম শাহাদতবার্ষিকী। স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সারা দেশে নানা আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে দিবসটি পালনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com