1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
দাউদকান্দিকে জেলা ঘোষণার প্রতিশ্রুতি, ধর্মের অপব্যবহারের রাজনীতির বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি — ড. খন্দকার মোশাররফ ধানের শীষের পক্ষে বীরগঞ্জে গণজোয়ার, তিন ইউনিয়নে একযোগে বিএনপির জনসভা রূপগঞ্জ তারাবো পৌরসভায় ধানের শীষের গণজোয়ার কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থীর প্রার্থিতা চূড়ান্তভাবে বাতিল, আপিল বিভাগেও টেকেনি লিভ টু আপিল গোল্ড’স জিম বাংলাদেশে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের মিলনমেলা ৯৯ স্পোর্টস ক্লাব লিমিটেডের ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত ১৬ বছরে উন্নয়ন হয়নি—মুক্তির পথ ধানের শীষেই : ড. খন্দকার মারুফ ফেনী প্রেসক্লাবে দৈনিক বাংলাদেশের আলোর ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উত্তরাঞ্চলে কৃষিনির্ভর শিল্পায়নের রূপরেখা দিলেন তারেক রহমান তাঁত শিল্প পুনরুজ্জীবন, তরুণদের কর্মসংস্থান ও নারী ক্ষমতায়নে বিএনপির অঙ্গীকার জাইমা রহমানকে সামনে এনে বিএনপির নতুন রাজনৈতিক বার্তা—উত্তরাধিকার, তরুণ ভোট ও নারী নেতৃত্বের ইঙ্গিত

শুরু হলো ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ১৪৫ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক : ‘আমার ভাই এর রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ -রক্তে রাঙানো সেই ভাষা আন্দোলনের মাস শুরু হয়েছে আজ। ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে ফেব্রুয়ারি ছিল ঔপনিবেশিক প্রভুত্ব ও শাসন-শোষণের বিরুদ্ধে বাঙালির প্রথম প্রতিরোধ এবং জাতীয় চেতনার প্রথম উন্মেষ।

ফেব্রুয়ারি মাস একদিকে শোকাবহ হলেও অন্যদিকে গৌরবোজ্জ্বল। পৃথিবীর একমাত্র জাতি বাঙালি ভাষার জন্য জীবন দিয়েছিল। যা এখন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবেও স্বীকৃত।

১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারির সেই আন্দোলনে সালাম, জব্বার, শফিক, বরকত ও রফিকের রক্তের বিনিময়ে বাঙালি জাতি পায় মাতৃভাষার মর্যাদা এবং আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেরণা। তারই পথ ধরে আমরা পেয়েছি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।

বায়ান্নর আগুনঝরা সে দিনগুলো বিশ্বের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে আছে, থাকবে। প্রতি বছরের মতো আবারো এল ভাষার মাস। ভাষা শহীদদের স্মৃতিবিজড়িত ফেব্রুয়ারি এই দেশের মানুষের চেতনায় এক অনির্বাণ বাতিঘর। এই আলোর স্পর্শে অন্যায়ের কাছে মাথানত না করার এবং প্রবল দেশাত্মবোধের অন্যরকম এক আবেগ ও উদ্দীপনায় জেগে ওঠে সর্বস্তরের মানুষ।

একুশে ফেব্রুয়ারি বলতে ১৯৫২ সালের কেবল সেই দিনটি নয়। এই আন্দোলন শুরু হয়েছিল সেই ১৯৪৭ সাল থেকে। ১৯৪৭ সালের ১৭ মে হায়দরাবাদে এক উর্দু সম্মেলনে মুসলিম লীগ নেতা চৌধুরী খালিকুজ্জামান ঘোষণা দেন, ‘পাকিস্তানের জাতীয় ভাষা হবে উর্দু’। তার সঙ্গে গলা মেলান আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. জিয়াউদ্দিন। প্রতিবাদে ২৯ জুলাই ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ‘আজাদ’ পত্রিকায় বলেন, বাংলাই হওয়া উচিত পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা, তবে দুটি রাষ্ট্রভাষা করা গেলে উর্দুর কথা বিবেচনা করা যায়।

পাকিস্তান গঠনের পরে রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন জোরদার হতে থাকে। ওই বছরের ২৭ নভেম্বর করাচিতে পাকিস্তান শিক্ষা সম্মেলনে পাকিস্তান গণপরিষদের কাছে উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা ও প্রাদেশিক সরকারগুলির কাজ চালাবার মাধ্যম রূপে মেনে নেবার সুপারিশ করা হয়। সেইসাথে সমগ্র পাকিস্তানে প্রাথমিক শিক্ষায় উর্দুকে এক বছরের জন্য বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাবও করা হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ৬ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন তমদ্দুন মজরিশের সম্পাদক আবুল কাসেম। বক্তৃতা করেন মুনীর চৌধুরী, আব্দুর রহমান, কল্যাণ দাশগুপ্ত, এ কে এম আহসান, এস আহমদ প্রমুখ। রাষ্ট্রভাষা সংক্রান্ত প্রস্তাবগুলি উত্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ইউনিয়নের ভাইস প্রেসিডেন্ট ফরিদ আহমদ।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com