1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:০২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
নারীদের নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য: ডা. শফিকুর রহমানের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে সিইসির কাছে আবেদন ঢাকাকে বাসযোগ্য ও নিরাপদ নগরীতে রূপান্তরের অঙ্গীকার তারেক রহমানের তরুণদের অগ্রণী ভূমিকায় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আহ্বান ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের রাজনৈতিক স্বার্থে সেনাবাহিনীর ব্যবহার নয়—তারেক রহমানের স্পষ্ট অঙ্গীকার অপপ্রচারের জবাবে ‘এন্টি-মিসাইল’ উপমা, সিলেটে জামায়াত আমিরের নির্বাচনী সমাবেশ রমজানের প্রস্তুতি হোক আধ্যাত্মিক—বাহ্যিক নয় ভারত–যুক্তরাষ্ট্রের ইনসাফ আমরা চাই না: চরমোনাই পীর রাজধানীতে দুই দিনে ১৪ জনসভায় বক্তব্য দেবেন তারেক রহমান সমৃদ্ধ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার তারেক রহমানের জুলাই মঞ্চের ওপর পুলিশি হামলার প্রতিবাদে আজ সংবাদ সম্মেলন

শিক্ষার্থীরা যেন টিকটক, লাইকির ফাঁদে পা দিয়ে পাচারের শিকার না হয় : রাষ্ট্রপতি

রিপোর্টার
  • আপডেট : শুক্রবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ২৯৬ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক: কোমলমতি শিক্ষার্থীরা যাতে কিশোর গ্যাংয়ের মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকে সে ব্যাপারে অভিভাবকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ।

এ সময় তিনি অভিভাবকদের উদ্দেশে বলেন, ‘সতর্ক থাকতে হবে যাতে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা টিকটক, লাইকির লোভনীয় ফাঁদে পা দিয়ে মানবপাচারের শিকারে পরিণত না হয়।’

‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন’ আয়োজিত ‘মানবাধিকার দিবস- ২০২১’ উপলক্ষে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ-অডিটোরিয়ামে এক আলোচনায় বঙ্গভবন থেকে পূর্বে ধারণকৃত রাষ্ট্রপতির বক্তৃতা সম্প্রচার করা হয়।

আবদুল হামিদ বলেন, মানবপাচার ও মাদকের ভয়াবহতা সমাজে নানা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে। মাদকের ছোবলে অনেক পরিবার ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। আমাদের তরুণ প্রজন্মকে এ সব থেকে দূরে রাখতে হবে।

এ সময় তিনি সমাজে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সকলকে এগিয়ে আসার ও আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘মাদক, মানবপাচার ও পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণে আরো ব্যাপক জনসচেতনতা দরকার। সচেতনতা, দৃঢ় পারিবারিক বন্ধন, সামাজিক প্রতিরোধ ও প্রশাসনের কঠোর নজরদারি এই অপরাধ প্রবণতা ঠেকাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।’

দেশে নারী উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি হামিদ বলেন, নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ বিশ্বে রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃত। নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে নারীর পাশাপাশি পুরুষেরও সমান ভূমিকা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।

তিনি শিক্ষার সাথে মানবিক মূল্যবোধকে গুরুত্ব দিয়ে বলেন, পরিবার, সমাজ ও প্রাতিষ্ঠানিক সকল ক্ষেত্রে মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে আমরা যেন বিশেষভাবে সচেতন থাকি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, মিয়ানমার, আফগানিস্তান, ফিলিস্তিন ও সিরিয়াসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মানবিক সঙ্কট চলছে। এ সকল সঙ্কট বা মানবাধিকার লঙ্ঘন ঠেকাতে বিশ্বের সকল দেশকে একযোগে কাজ করতে হবে।

মানবাধিকার কর্মীদের দায়িত্ব পালনকালে যাতে মানবাধিকার লঙ্ঘিত না হয় সেদিকেও বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করার তাগিদ দেন তিনি।

করোনাভাইরাস প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি হামিদ বলেন, করোনা মহামারী বিশ্বব্যাপী মানবিক বিপর্যয় বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছে। আমরা ধনী ও দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যে টিকা বৈষম্য বাড়তে দেখছি। জরুরি ভিত্তিতে এই বৈষম্য দূর করতে হবে।

আবদুল হামিদ বলেন, সবার জন্য ন্যায়সঙ্গত ও সাশ্রয়ী মূল্যে টিকার প্রাপ্যতা নিশ্চিত করে মানবাধিকারকে সমুন্নত রাখতে হবে। বিশ্বকে করোনার ছোবল থেকে বাঁচাতে হলে সবার জন্য টিকা নিশ্চিতের বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, ‘অন্য দিকে এই মহামারী জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোকেও অতিমাত্রায় ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।’

তিনি আশা প্রকাশ করেন, উন্নত বিশ্ব মানবিকতার সাথে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর পাশে দাঁড়াবে।

রোহিঙ্গারা মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, নিজের দেশে ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। রাষ্ট্রপতি রোহিঙ্গাদের তাদের মানবাধিকার সুরক্ষা ও নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের জন্য সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন দেশের মানুষের মানবাধিকারের উন্নয়ন ও সুরক্ষায় একটি প্রধান সংস্থা হিসেবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, এই কমিশন জনগণের অধিকার সুরক্ষায় আরো দৃশ্যমান অবদান রাখবে।

জনসাধারণ যেন তাদের অধিকার সম্পর্কে আরো বেশি সচেতন হতে পারে এবং মানবাধিকার কমিশনের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা পেতে পারে সে লক্ষ্যে কমিশনকে তৃণমূল পর্যায় থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত সামগ্রিক কার্যক্রম আরো জোরদার করার ও আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি হামিদ।

মানবাধিকার সুরক্ষায় জাতীয় মানবাধিকার কমিশন একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে অভিহিত করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, দলিত, হিজড়া, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীসহ পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী ও অন্যান্য ভুক্তভোগীদের মানবাধিকার সুরক্ষায় এ কমিশনকে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।’

তিনি প্রত্যাশা করেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার ব্যক্তিদের ভরসার স্থল হিসেবে কাজ করবে।

বক্তব্যের শুরুতে রাষ্ট্রপতি গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন, স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদদের, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক-সমর্থক, বিদেশী বন্ধু, যুদ্ধাহত ও শহীদ পরিবারের সদস্যসহ সর্বস্তরের জনগণকে, যাদের অসীম সাহস ও আত্মত্যাগের বিনিময়ে আজকের এই স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান নাসিমা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব মো: মইনুল কবীর, জাতিসঙ্ঘ উন্নয়ন কর্মসূচির আবাসিক প্রতিনিধি সুদীপ্ত মুখার্জী এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ বক্তব্য রাখেন। সূত্র : বাসস

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com