1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
২০ বছর পর বরিশালে তারেক রহমান, দক্ষিণাঞ্চলে বিএনপির রাজনীতিতে নতুন মাত্রা নির্বাচনে শৃঙ্খলা নিশ্চিতে সর্বোচ্চ প্রস্তুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী — স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ভিন্ন দল ভিন্ন পথ, দেশের প্রশ্নে ঐক্যমত—জুলাই মঞ্চের ১২১ সদস্যের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি পুনর্গঠন বাংলাদেশে এসডিজি-৪ অগ্রগতি ও চ্যালেঞ্জ: আগামী সরকারের কাছে প্রত্যাশা নাগরিক সমাজের সুপারিশ তুলে ধরে মতবিনিময় সভা বিশ্ব ক্যান্সার দিবস উপলক্ষে উত্তরা লেডিস ক্লাবে সচেতনতা সেমিনার বারপাড়া ইউনিয়ন পথসভায় বিএনপির শক্তি প্রদর্শন দাউদকান্দিকে জেলা ঘোষণার প্রত্যয় ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের কুমিল্লা–০১ আসনে বিএনপির গণসংযোগে উদ্দীপনা, জুরানপুরে শতভাগ ভোটের প্রত্যাশা প্রচারণার ১২তম দিনে দাউদকান্দিতে ধানের শীষের গণজাগরণ সুন্দুলপুরে জনতার ঢল, পরিবর্তনের পক্ষে স্পষ্ট বার্তা নারীদের ক্ষমতায়ন ছাড়া রাষ্ট্রের অগ্রগতি অসম্ভব: তারেক রহমান জামায়াত চায় মেয়েরা যেন ঘরে বসে থাকে :মির্জা ফখরুল

বাঁচার জন্য পোকামাকড় খাচ্ছে যে দেশের মানুষ

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৬ আগস্ট, ২০২১
  • ৩২২ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক : দক্ষিণ-পূর্ব আফ্রিকা মহাদেশের উপকূলে অবস্থিত একটি দ্বীপ রাষ্ট্র মাদাগাস্কার। জাতিসংঘ বলেছে, বিশ্বের প্রথম ‘জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্ভিক্ষের’ কবলে পড়ার দ্বারপ্রান্তে দেশটি। গত চার বছর ধরে বৃষ্টিপাত নেই দেশটিতে। ফলে দেশটির মানুষ ইতোমধ্যেই ক্ষুধা ও খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার ‘বিপর্যয়কর’ স্তরে রয়েছে।

ভয়াবহ খরায় ধ্বংস হয়ে গেছে মাদাগাস্কারের দক্ষিণে বিচ্ছিন্ন কৃষি সম্প্রদায়গুলো। এ অবস্থায় সে অঞ্চলের পরিবারগুলোকে বেঁচে থাকার জন্য খাদ্য হিসেবে পোকামাকড়ের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।

জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির শেলি ঠাকরাল বলেছেন, ‘পরিস্থিতিগুলো দুর্ভিক্ষ হওয়ার মতোই। এ দুর্ভিক্ষ কোনো ধরনের দ্বন্দ্বের কারণে ঘটবে না। বরং এটি জলবায়ু পরিচালিত।’
জাতিসংঘের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বর্তমানে ৩০ হাজার মানুষ খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক স্তর, অর্থাৎ ৫ম স্তরে আছে। এ ছাড়া, ফসল কাঁটার আগে মাদাগাস্কার তার ঐতিহ্যবাহী ‘লিন সিজনে’ প্রবেশ করায় ভুক্তভোগী মানুষের এ সংখ্যা দ্রুত বাড়তে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ।

ঠাকরাল বলেন, ‘এটি একটি বিরল ঘটনা। এখানকার লোকেরা জলবায়ুর ক্ষতিসাধনের জন্য কিছুই করেনি। এমনকি তারা জীবাশ্ম জ্বালানিও পোড়ায় না। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের কঠিন প্রভাবের শিকার হচ্ছে তারাই।’

সম্প্রতি আম্বোয়াসারি জেলার প্রত্যন্ত গ্রাম ফান্ডিওভা পরিদর্শনে যায় ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের (ডব্লিউএফপি) একটি দল। গ্রামটির মানুষ যেসব পঙ্গপাল খেয়ে বেঁচে আছে তা এই পরিদর্শনকারী দলের সদস্যদেরকে দেখান তারা।

সেখানকার অধিবাসী তামারিয়া বলেন, ‘আমি যতটা সম্ভব পোকামাকড়গুলোকে পরিষ্কার করি। কিন্তু এখানে কোনো পানিও নেই বলা চলে।’

চার সন্তানের মা তামারিয়া আরও জানান, ‘আমিসহ আমার সন্তানরা আট মাস ধরে প্রতিদিন এসবই খাচ্ছি। কারণ, আমাদের খাওয়ার মতো আর কিছুই নেই। এখানে কোনো বৃষ্টি হয় না। যার ফলে আমরা আমাদের বপণ করা ফসল তুলতেও পারি না।’

শুকনো মাটিতে বসে তিন সন্তানের মা বোলে জানান,‘আজ আমাদের কাছে ক্যাকটাস পাতা ছাড়া খাওয়ার মতো কিছুই নেই।’

তার স্বামী কিছুদিন আগে খেতে না পেয়ে মারা গেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এমনকি, ক্ষুধার্ত অবস্থায় তার এক প্রতিবেশীও দুটি বাচ্চা রেখে মারা গেছেন। ‘আমার কি বলার আছে? বেঁচে থাকার জন্য বারবার ক্যাকটাসের পাতা খোঁজাই আমাদের জীবন,’ বলে যোগ করেন তিনি।

সূত্র : বিবিসি

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com