1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
নাগরপুরে ধানের শীষের বিজয়ী করার লক্ষ্যে ছাত্রদলের মিছিল কুমিল্লা-৪ আসনে জোটের সিদ্ধান্ত: ট্রাক প্রতীকের পক্ষে মাঠে নামছে বিএনপি পিতার কবর জিয়ারত করলেন টাঙ্গাইল–৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল। বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আফাজউদ্দিনের ইন্তেকালে রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া তারেক রহমানই হতে পারেন বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী—দ্য ডিপ্লোম্যাট ২৬ অগ্রাধিকারে জামায়াতের ইশতেহার: ন্যায়, সংস্কার ও ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার জাতীয় নির্বাচনে জননিরাপত্তা ও জনকল্যাণকে প্রাধান্য দিয়ে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার মাদারীপুরে হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থীর উঠান বৈঠক ও দোয়া মাহফিল নারীদের অসম্মান মানেই জনগণের মর্যাদার অবমাননা—বরিশালে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান দীর্ঘ দুই দশক পর বরিশালে তারেক রহমান দক্ষিণাঞ্চলে বিএনপির নির্বাচনী বার্তার জোরালো উচ্চারণ

বঙ্গবন্ধুর পাঁচ খুনি কে কোথায়

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২১
  • ২৭২ বার দেখা হয়েছে

এনসিবির তথ্যানুযায়ী এখন নূর চৌধুরী কানাডায় ও রাশেদ চৌধুরী যুক্তরাষ্ট্রে। অন্য তিনজনের অবস্থান পুরোপুরি নিশ্চিত না হলেও শরিফুল হক ডালিমের সম্ভাব্য অবস্থান পাকিস্তান অথবা লিবিয়ায়, আবদুর রশীদের সম্ভাব্য অবস্থান লিবিয়া অথবা জিম্বাবুয়েতে এবং মোসলেহ উদ্দিনের সম্ভাব্য অবস্থান পাকিস্তানে।

পাঁচ খুনিকে ফিরিয়ে আনার অগ্রগতি বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এমপি বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘আমাদের কার্যতালিকার সবচাইতে অগ্রাধিকার বিষয় হলো বঙ্গবন্ধুর পাঁচ খুনিকে দেশে ফিরিয়ে এনে আদালতের রায় কার্যকর। আমরা নূর চৌধুরী ও রাশেদ চৌধুরীর সম্ভাব্য অবস্থান জানি। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের ফিরিয়ে আনা সম্ভব। নূর চৌধুরীকে ফিরিয়ে আনতে আমরা কানাডা সরকারকে বিবাদী করে মামলা করেছি; পাশাপাশি সুসম্পর্কের ভিত্তিতে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রেখেছি। আশা করছি তাকে দেশে আনা সম্ভব হবে। যুক্তরাষ্ট্রে থাকা রাশেদ চৌধুরীর বিষয়ে আমারা আইনি প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছি। তাকে ফেরত আনার বিষয়েও আমরা আশাবাদী।’

অন্য তিন খুনির অবস্থানের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘তাদের অবস্থানের বিষয়ে একেক সময় আমরা একেক রকম তথ্য পাই। অবস্থান নিশ্চিত হলে সরেজমিন বিষয়টি তদন্ত করে তাদেরও দেশে ফেরানোর বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হবে।’ ১৯৯৮ সালের ৮ নভেম্বর ঢাকার তৎকালীন দায়রা জজ কাজী গোলাম রসুল ১৫ জনকে মৃত্যুদন্ডাদেশ দিয়ে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার রায় দেন। নিম্ন আদালতের এ রায়ের বিরুদ্ধে আসামিদের আপিল ও মৃত্যুদন্ড নিশ্চিতকরণের শুনানি শেষে ২০০০ সালের ১৪ ডিসেম্বর হাই কোর্ট দ্বিধাবিভক্ত রায় দেয়। ২০০১ সালের ৩০ এপ্রিল হাই কোর্টের তৃতীয় বেঞ্চ ১২ আসামির মৃত্যুদন্ড বহাল রেখে তিনজনকে খালাস দেয়। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ২০০৯ সালের ১৯ নভেম্বর ১২ আসামির মৃত্যুদন্ড বহাল রাখে। ১২ আসামির মধ্যে ২০১০ সালের ২৭ জানুয়ারি পাঁচজনের মৃত্যুদন্ড কার্যকর হয়। তারা হলো সৈয়দ ফারুক রহমান, বজলুল হুদা, এ কে এম মহিউদ্দিন আহমেদ, সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান ও মুহিউদ্দিন আহমেদ। ২৫ বছর ভারতে আত্মগোপনে থাকার পর গত বছরের ৬ এপ্রিল ঢাকার গাবতলী থেকে গ্রেফতার হয় আসামি ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদ। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গত বছরের ১১ এপ্রিল রাত ১২টা ১ মিনিটে ফাঁসি কার্যকর হয় তার। ফাঁসির দন্ড পাওয়া আরেক আসামি আজিজ পাশা ২০০২ সালে পলাতক অবস্থায় জিম্বাবুয়েতে মারা যায়।

এনসিবির তথ্যানুযায়ী ২০০৯ সালের ৩১ আগস্ট নূর চৌধুরীর বিরুদ্ধে রেড নোটিস জারি করে ইন্টারপোল। যার নম্বর এ-২৬৯১/৮-২০০৯। নোটিস জারির কিছুদিন পর ২০১০ সালের ২৫ মার্চ নোটিসের মেয়াদ পাঁচ বছর বাড়ানো হয়। একইভাবে রাশেদ চৌধুরীর বিষয়ে রেড নোটিস জারি হয় ২০০৯ সালের ৭ জানুয়ারি; যার নম্বর এ-২৫/১-২০০৯। পরে একই বছরের ২৬ জুলাই নোটিসের মেয়াদ পাঁচ বছর বাড়ানো হয়েছে। শরিফুল হক ডালিমের বিরুদ্ধে রেড নোটিস জারি হয় ২০০৯ সালের ২৮ জুন; যার নম্বর এ-১৮১১/৬-২০০৯। পরে নোটিসের মেয়ার পাঁচ বছর বাড়ানো হয়েছে। খন্দকার আবদুর রশীদের বিষয়ে রেড নোটিস জারি হয় ২০০৯ সালের ৩১ আগস্ট, যার নম্বর এ-২৬২০/৮-২০০৯। রিসালদার মোসলেহ উদ্দিনের বিষয়ে রেড নোটিস জারি হয় ২০০৯ সালের জুনে। যার নম্বর এ-১৮৩৬/৬-২০০৯। এনসিবি কর্মকর্তারা জানান, জীবিত পাঁচ খুনিকে ফিরিয়ে আনার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে স্বরাষ্ট্র সচিবের মাধ্যমে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এনসিবি ঢাকার কর্মকর্তারা এ বিষয়ে ইন্টারপোল কানাডা ও ওয়াশিংটনে এবং ইন্টারপোল সদর দফতরে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন। তিন খুনির সুনির্দিষ্ট অবস্থানের বিষয়ে তথ্য প্রাপ্তি সাপেক্ষে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হবে। এ বিষয়ে এনসিবি সংশ্লিষ্ট সব দফতরকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করছে। এ ছাড়া আসামিদের বাংলাদেশে আনার বিষয়ে পর্যালোচনা ও এ সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে উচ্চ পর্যায়ের টাস্কফোর্সের সর্বশেষ সভা ২০২০ সালের ১০ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন মেঘনায় অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। ১৯৯৬ সালের ১২ নভেম্বর দায়মুক্তি আইন বাতিল হলে ওই বছরের ২ অক্টোবর ধানমন্ডি থানায় বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিগত সহকারী মহিতুল ইসলাম বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com