বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক: মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন সর্বস্তরের মানুষ। শনিবার সকাল থেকে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে হাজার হাজার মানুষের ঢল নামে। ৫২ বছর আগে আজকের দিনে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হয়ে বিজয়ের পতাকা উড়ায় বাংলাদেশ।
সকাল সাড়ে ৬টায় প্রথমে প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিন ও পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর্ব শুরু হয়। এরপর কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন তারা। এ সময় তিন বাহিনীর সুসজ্জিত একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় সালাম জানায়। বিউগলে বাজানো হয় করুণ সুর।
এরপর শ্রদ্ধা জানান জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী ও প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দলের নেতাদের নিয়ে শহীদবেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন দলের সভাপতি শেখ হাসিনা। এ সময় দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য ও কূটনীতিকেরা স্মৃতিসৌধ এলাকা ত্যাগ করার পর স্মৃতিসৌধ সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। এরপর শ্রদ্ধা জানাতে মানুষের ঢল নামে। পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, শ্রমজীবী ও পেশাজীবী সংগঠন, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
রাজধানীর মিরপুর থেকে আট বছরের ঐশ্বর্য আর আড়াই বছরের ঐশ্বরী স্মৃতিসৌধে এসেছে মা-বাবার সঙ্গে।
দুজনই বাংলাদেশের পতাকা আঁকা পোশাক পরেছে, হাতেও জাতীয় পতাকা। মা-বাবার পরনেও লাল-সবুজের পোশাক। স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পরে ছবি তুলছিল পরিবারটি। ঐশ্বর্য-ঐশ্বরীর বাবা রামকৃষ্ণ সাধু বলেন, প্রতিবছরই বাচ্চাদের নিয়ে স্মৃতিসৌধে আসি। যে কষ্টের মাধ্যমে এই দেশ আমরা পেয়েছি, তা যেন পরবর্তী প্রজন্মও বুঝতে পারে।