কুমিল্লা প্রতিনিধি | রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
“১-৭ মে জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ”কে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার দাবিতে কুমিল্লায় প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ)।
রোববার দুপুরে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসানের মাধ্যমে এ স্মারকলিপি জমা দেন সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ। তৃণমূল পর্যায়ের সাংবাদিকদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে গণমাধ্যমকর্মীদের অধিকার, পেশাগত মর্যাদা ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়।
কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন বিএমএসএফ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক মিয়াজী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা টিভি ব্যুরো প্রধান ও জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা জেলা সভাপতি তারিকুল ইসলাম তরুণ, কুমিল্লা প্রতিদিন পত্রিকার সম্পাদক জুয়েল রানা মজুমদার, দ্য অবজারভার পত্রিকার সাংবাদিক কামরুল হক চৌধুরী, গণশক্তি পত্রিকার সাংবাদিক মনির হোসেন, ভোরের কাগজ প্রতিনিধি রায়হান চৌধুরী, সকালের সময় প্রতিনিধি শরিফুল ইসলাম এবং বর্তমান বাংলা প্রতিনিধি রাজিবসহ অন্যান্য সাংবাদিকবৃন্দ।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, গণমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে গণতন্ত্র, সুশাসন ও জনস্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও দেশের সাংবাদিকরা এখনও যথাযথ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি থেকে বঞ্চিত। এ প্রেক্ষাপটে আগামী ১ থেকে ৭ মে “১০ম জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ-২০২৬” উদযাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ সপ্তাহকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া হলে সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতা আরও সুসংহত হবে বলে স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়।
এতে আরও বলা হয়, দেশে বিভিন্ন পেশাভিত্তিক সপ্তাহ রাষ্ট্রীয়ভাবে উদযাপিত হলেও সাংবাদিকদের জন্য এখনো তেমন কোনো উদ্যোগ নেই। পাশাপাশি সাংবাদিকদের জন্য সুনির্দিষ্ট নীতিমালা, সুরক্ষা আইন, তালিকা প্রণয়ন ও পৃথক অধিদপ্তরের অভাবে তারা নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।
স্মারকলিপিতে ৩ মে “বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস” বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে উদযাপিত না হওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করা হয় এবং এ দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় পালনের দাবি জানানো হয়।
এ প্রেক্ষাপটে “১-৭ মে জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ”কে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদানের জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ। তারা আশা প্রকাশ করেন, প্রধানমন্ত্রীর সদয় বিবেচনায় দেশের সাংবাদিক সমাজ তাদের ন্যায্য অধিকার, নিরাপত্তা ও পেশাগত মর্যাদা ফিরে পাবে।