1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
কৃষিকে জাতীয় সমৃদ্ধির চালিকাশক্তিতে রূপান্তরের অঙ্গীকার বিএনপির কৃষক কার্ড, ঋণ মওকুফ, নিরাপদ খাদ্য ও আধুনিক কৃষির রূপরেখা ইশতেহারে রাষ্ট্র সংস্কার থেকে ডিজিটাল অর্থনীতি—৯ প্রতিশ্রুতির ইশতেহার ঘোষণা বিএনপির ‘সবার আগে বাংলাদেশ’—সংস্কার, পুনর্গঠন ও সুষম উন্নয়নের অঙ্গীকারে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা নাগরপুরে ধানের শীষের বিজয়ী করার লক্ষ্যে ছাত্রদলের মিছিল কুমিল্লা-৪ আসনে জোটের সিদ্ধান্ত: ট্রাক প্রতীকের পক্ষে মাঠে নামছে বিএনপি পিতার কবর জিয়ারত করলেন টাঙ্গাইল–৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল। বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আফাজউদ্দিনের ইন্তেকালে রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া তারেক রহমানই হতে পারেন বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী—দ্য ডিপ্লোম্যাট ২৬ অগ্রাধিকারে জামায়াতের ইশতেহার: ন্যায়, সংস্কার ও ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার জাতীয় নির্বাচনে জননিরাপত্তা ও জনকল্যাণকে প্রাধান্য দিয়ে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার

গ্রাহকদের টাকা ফেরত দেবেন কবে জানেন না রাসেল: র‍্যাব

রিপোর্টার
  • আপডেট : শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ২৩৮ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক : গ্রাহকের হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় গ্রেফতার হওয়া ইভ্যালির সিইও মোহাম্মদ রাসেল জানেন না, তিনি কবে গ্রাহকদের টাকা ফেরত দিতে পারবেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে র‍্যাবকে এ কথা জানিয়েছেন বলে শুক্রবার গণমাধ্যমকে জানান বাহিনীর আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন। এর আগে বুধবার রাতে রাজধানীর গুলশান থানায় প্রতারণা মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়।

খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘রাসেল কনফিডেন্ট ছিলেন, তিনি আস্তে আস্তে বিদেশি অনেক প্রতিষ্ঠানকে ইভ্যালিতে সম্পৃক্ত করতে পারবেন, যারা ইভ্যালিতে বিনিয়োগ করবেন। তিনি আশা করেছিলেন, তার গ্রাহক সংখ্যা বাড়বে। কিন্তু বর্তমান অবস্থায় তিনি কবে গ্রাহকদের টাকা দিতে পারবেন, তাদের পণ্য দিতে পারবেন কি না সে বিষয়ে তিনি নিজেই সন্দিহান বলে আমাদের জানিয়েছেন।’

খন্দকার আল মঈন জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রাসেল জানিয়েছেন ইভ্যালির দেনা প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা। গ্রাহক সংখ্যা ৪৪ লাখ বলে দাবি তার।

কমান্ডার মঈন বলেন, ‘তার ব্যবসায়িক স্ট্র্যাটেজি ছিল সাত থেকে ৪৫ দিনের ভেতরে তিনি তাদের পণ্য ফেরত দেবেন, যেটা ৬ মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত ওনি কালক্ষেপণ করতেন। ৬-৭ মাস পর তিনি পুরাতন কাস্টমারদের কাউকে কিছু টাকা বা পণ্য আংশিকভাবে দিতেন। নতুনদের ওনি দিতেন না।এভাবে ওনি কন্টিনিউ লোকসানের মাধ্যমে ওনি দায় বাড়িয়েছেন। ওনার প্রতিষ্ঠান লায়াবিটিলিজ মূলধন প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিণত হয়েছে।’

র‍্যাব কর্মকর্তা মঈন বলেন, ‘রাসেলের উদ্দেশ্য ছিল, ব্র্যান্ড ভ্যালু তৈরি করা। দক্ষিণ এশিয়ায় সিঙ্গেল কোম্পানি হিসেবে মানুষ শুধু ইভ্যালিকে চিনবে, এমনটাই চেয়েছেন রাসেল। তিনি বিভিন্ন সময়ে বিদেশি অনেক প্রতিষ্ঠানকে প্রলুব্ধ করার চেষ্টা করেছেন। অনেক প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগ করার জন্য আগ্রহী হয়েছিল। কিন্তু তারা ভেতরে ঢুকে থেকে, দেনার পরিমাণ এত বেশি যে সেই অবস্থা থেকে উত্তরণ সত্যিই কঠিন।’

র‍্যাব জানায়, ইভ্যালি ছাড়াও রাসেলের আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে ই-ফুড, ই-খাত ও ই-বাজার অন্যতম।

ইভ্যালির ব্যবসায়িক কাঠামোর বিষয়ে রাসেল জানান, রাজধানীর ধানমণ্ডিতে ইভ্যালির হেড অফিস এবং ধানমণ্ডির আরেকটি স্থানে এর কাস্টমার কেয়ার সেন্টার রয়েছে। একইভাবে আমিনবাজার ও সাভারে তাদের ওয়্যার হাউস চালু করা হয়। কোম্পানির শুরুর দিকে প্রায় দুই হাজার স্টাফ কর্মরত ছিলেন এবং অস্থায়ীভাবে ১৭০০ লোক কর্মরত ছিলেন। সেই সংখ্যা কমে বর্তমানে ১৩০০ স্টাফ ও ৫০০ অস্থায়ী কর্মচারীতে দাঁড়িয়েছে।

সব মিলিয়ে কর্মচারীদের প্রাথমিক বেতন ছিল ৫ কোটি টাকার কিছু বেশি, যা বর্তমানে দেড় কোটিতে এসে দাঁড়িয়েছে। গত জুন থেকে এ পর্যন্ত কর্মীদের অনেককেই বেতন দিতে সক্ষম হননি রাসেল।

রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমা নাসরিন পদাধিকার বলে মাসে পাঁচ লাখ টাকা বেতন নিতেন। তিনি ও তার স্ত্রী ইভ্যালি থেকে কেনা একটি অডি গাড়ি, রেঞ্জ রোভার নিজেরা ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহার করতেন। তাদের কোম্পানিতে ২৫-৩০টি গাড়ি রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com