নিজস্ব প্রতিবেদক : আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধের বিধান যুক্ত করে ‘সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ আইনে রূপ দেওয়ার সুপারিশ করেছে সংসদীয় বিশেষ কমিটি। ১৩৩টি অধ্যাদেশ পর্যালোচনা শেষে কমিটি তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে এই সিদ্ধান্ত জানায়।
গত বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে কমিটির প্রধান জয়নুল আবদিন প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগের ওপর বর্তমানে জারি থাকা নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে নির্বাহী আদেশ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত। একই সঙ্গে শাস্তির বিধান যুক্ত করে অধ্যাদেশটি আইনে পরিণত হলে দলটির রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে।
এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নির্বাহী আদেশে কোনো রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করার বিরোধিতা করেছিল এবং এ ধরনের সিদ্ধান্ত জনগণের ওপর ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেছিল। তবে সরকার গঠনের পর দলটি সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশকে আইনে রূপ দেওয়ার উদ্যোগ নেয়।
উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে গত ১৩ মার্চ উত্থাপন করা হয়। সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদে পাস না হলে এসব অধ্যাদেশ ৩০ দিনের মধ্যে কার্যকারিতা হারাবে, যার সময়সীমা ১২ এপ্রিল।
বিশেষ কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদনে ৯৮টি অধ্যাদেশ অপরিবর্তিতভাবে আইনে পরিণত করার সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া ১৫টি সংশোধন করে বিল আকারে উপস্থাপন, ১৬টি আপাতত উত্থাপন না করা এবং ৪টি অধ্যাদেশ বাতিল করে সংরক্ষণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।