নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ—মানবাধিকার কমিশন, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়, বিচারক নিয়োগ আইন এবং গুম কমিশনসহ—নিয়ে অংশীজনদের সঙ্গে বিস্তৃত আলোচনার প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। অধিকতর যাচাই-বাছাই শেষে এসব অধ্যাদেশকে সংশোধন করে কার্যকর আইন প্রণয়ন করা হবে বলেও জানান তিনি।
রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেলে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি সংসদে ৯১টি বিল পাসসহ বিভিন্ন আইন ও অধ্যাদেশ বিষয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন।
গুম কমিশন অধ্যাদেশ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, বর্তমান খসড়ায় কিছু ফাঁকফোকর রয়েছে। বিশেষ করে গুমের সংজ্ঞা নির্ধারণ ও ঘটনা শনাক্ত করতে দীর্ঘ সময় লাগার আশঙ্কা ছিল, যা নতুন ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এসব সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে একটি নতুন ও কার্যকর আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ সম্পর্কেও তিনি বলেন, তদন্ত ক্ষমতা ও জরিমানা আরোপসহ কয়েকটি ধারায় দ্বন্দ্ব রয়েছে। এসব বিষয় পর্যালোচনা করে একটি বাস্তবসম্মত ও প্রয়োগযোগ্য আইন তৈরি করা হবে। আগামী ১৫ মের পর থেকেই এ বিষয়ে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।
আইনমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার কোনো বিষয় গোপন করছে না এবং অধ্যাদেশ বাতিল করা হয়েছে—এমন দাবি সঠিক নয়। এ ধরনের বক্তব্য বিভ্রান্তিকর বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি জানান, সংসদে আলোচনার সময় বিরোধী দলের কিছু সদস্য নথিপত্র পর্যালোচনা করলেও সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি সংক্রান্ত বিষয়গুলো উপেক্ষা করেছেন। অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে সংশোধন করে অধ্যাদেশগুলোকে পূর্ণাঙ্গ আইনে রূপ দেওয়া হবে।