1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ০৯:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বাজারে এলো পিজিএম-এফআই প্রযুক্তির নতুন হোন্ডা এসপি ১৬০ কোটাবিরোধী শিক্ষার্থীদের নামে পুলিশের মামলা ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে বৈঠক শেষে যা বললেন শিক্ষক নেতা সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী মার্কিন চাপ উপেক্ষা করে চীন-রাশিয়াকে নিয়ে যা বললেন ইরানের নতুন প্রেসিডেন্ট রাশিয়ার বিষয়ে ভারতকে যে সতর্কবার্তা দিল যুক্তরাষ্ট্র গাজায় ধ্বংসস্তূপের নিচে লাশ আর লাশ সারা দেশে আজ ইন্টারনেটে ধীরগতি থাকতে পারে পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স ভবনটি দেশের মানুষের কৃষ্টি সংস্কৃতির অন্যতম আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করা হবে-পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী চ্যানেল২৪’র অনুসন্ধান: ফাঁস হয়েছিল ৪৬তম বিসিএসের প্রিলির প্রশ্নপত্রও

সাড়ে ১৩ কেজির ভোল মাছ লক্ষাধিক টাকায় বিক্রি

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১৩৮ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক: বাগেরহাটে ১৩ কেজি ৫০০ গ্রাম ওজনের জাভা ভোল মাছ বিক্রি হয়েছে এক লাখ ৮ হাজার টাকায়। রোববার সকালে বাগেরহাটের সামুদ্রিক মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র কেবি বাজারে ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা মণ দরে মাছটি বিক্রি হয়।

এর আগে বরগুনা জেলার মৎস্য ব্যবসায়ী মাসুম কোম্পানির একটি ট্রলার বাজারে মাছটি নিয়ে আসে। কেবি বাজারের আড়তদার অনুপমের ঘরে মাছটি ডাক দেওয়া হয়। উন্মুক্ত ডাকে স্থানীয় ক্রেতা আল আমিন হাজী মাছটি ক্রয় করেন।

আড়তদার অনুপম বলেন, মাসুম কোম্পানির জেলেরা মাছটি আড়তে নিয়ে আসেন। ১৩ কেজি ৫০০ গ্রাম ওজনের মাছটি এক লাখ টাকায় বিক্রি করা হয়।

মাছটির ক্রেতা আল আমিন হাজী বলেন, এই মাছটি চট্টগ্রামের এক ব্যবসায়ীর কাছে পাঠাব। এই মাছগুলো অনেক দামে বিক্রি হয়। এটি যদি ৩০ কেজি ওজন হতো, তাহলে অন্তত ১৫ থেকে ২৫ হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি হতো। যতদূর শুনেছি এই মাছের পেটের মধ্যে যে পুটকা (প্যাটা/বালিশ) থাকে তা খুব দামি। এটি দিয়ে ওষুধ বানানো হয়।

আল আমিন হাজী আরও বলেন, যতদূর জেনেছি এই মাছটি খোলা বাজারে টুকরো করে ৭ থেকে ৯শ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। তবে এর আলিশ প্রসেসিং করে অনেক বেশি দামে বিক্রি হয়।

জাবা ভোল বা সোনা ভোলের বিজ্ঞানসম্মত নাম ‘প্রোটোনিবিয়া ডায়াকানথুস’। ইন্দোনেশিয়া, তাইল্যান্ড, হংকং, সিঙ্গাপুর এবং মালয়েশিয়া- এসব দেশে এই মাছের চাহিদা খুব বেশি।

এ মাছের ঔষধি গুণ থাকাতেই এর মূল্য এত বেশি। মাছ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ওষুধ উৎপাদন সংস্থাগুলো এই মাছ কিনে নেয়। তারপর এর দেহের প্রায় প্রতিটি অংশ দিয়েই তৈরি হয় ওষুধ। এ মাছের বায়ু পটকা দিয়ে কিডনির নানা রোগ নিরাময়ের ওষুধ তৈরি হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com