1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
রবিবার, ২১ জুলাই ২০২৪, ০৪:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কোটা সংস্কার নিয়ে প্রয়োজনে সংসদে আইন পাস: জনপ্রশাসনমন্ত্রী ২১, ২৩ ও ২৫ জুলাইয়ের সব বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত কোটাবিরোধী আন্দোলন: সারাদেশে প্রাণ গেল ৮ জনের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান চায় সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী কোটা সংস্কারে নীতিগতভাবে একমত সরকার: আইনমন্ত্রী রক্ত মাড়িয়ে সংলাপ নয়: সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় দুই মন্ত্রীকে দায়িত্ব দিলেন প্রধানমন্ত্রী উত্তরায় গুলিতে নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ শিক্ষার্থী নিহত রংপুরে ‘লজ্জায়’ আ.লীগ-ছাত্রলীগের দুই শতাধিক নেতাকর্মীর পদত্যাগ আবারও মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ব্রিফিংয়ে কোটা আন্দোলন প্রসঙ্গ

গ্রেফতার হলেন মমতার মন্ত্রিসভার সদস্যসহ চারজন

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১৭ মে, ২০২১
  • ৫২৮ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক: নারদা ঘুষ মামলায় কলকাতা পৌরসভার প্রশাসক ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশাসনের সিনিয়র মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম ও সুব্রত মুখোপাধ্যায়সহ তৃণমূল কংগ্রেসের কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা তাদের গ্রেফতার করে।

সোমবার সকালে ফিরহাদ হাকিমকে যখন আটক করা হয় তখন তিনি সাংবাদিকদের বলেছেন, নারদা ঘুষ মামলায় যথাযথ অনুমোদন ছাড়াই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এর আগে রোববার রাতে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় মন্ত্রী হাকিম ও তৃণমূল কংগ্রেসের আরো তিনজন রাজনীতিবিদের বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তে সম্মতি দেয় বলে জানা গেছে।

নারদা মামলায় ফিরহাদ হাকিম ছাড়াও বাকি যে তিনজনের বিরুদ্ধে রাজ্যপাল ব্যবস্থা নেয়ার অনুমতি দিয়েছেন, তারা হলেন পশ্চিমবঙ্গের সিনিয়র মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভার দুজন সাবেক সদস্য – মদন মিত্র ও শোভন চট্টোপাধ্যায়।

নারদা নামে একটি পোর্টাল ২০১৪ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে গোপন ক্যামেরায় অভিযান (স্টিং অপারেশন) চালিয়েছিল, যাতে গোপন ক্যামেরায় ওই নেতাদের মোটা অঙ্কের ঘুষ নিতে দেখা যায় ।

এ ঘটনায় ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা বা সিবিআই পরে যে মামলা শুরু করে তা নারদা ঘুষ মামলা নামে পরিচিত।

২০১৮ সালে কলকাতার নতুন মেয়র হিসাবে ফিরহাদ হাকিমের নাম ঘোষণা করেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। মেয়াদ শেষ হওয়ার পরে নির্বাচন না হওয়ায় তিনি প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

১৯৪৭ সালে ভারতের স্বাধীনতার পর তিনিই প্রথম কলকাতার মুসলিম মেয়র। ৪৭-এর আগে পাঁচজন মেয়র ছিলেন মুসলিম, যাদের মধ্যে ছিলেন শের-এ-বাংলা এ কে ফজলুল হক।

কিন্তু তারপর থেকে কখনো কোনো মুসলিম ধর্মাবলম্বী নেতা কলকাতার মেয়র পদে বসেননি। ফিরহাদ হাকিম ৯০এর দশকের শেষদিকে প্রথমে কলকাতা কর্পোরেশনের ওয়ার্ড কাউন্সিলর হয়েছিলেন। ওই সময় থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে তার ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির কাছাকাছি পাড়ার বাসিন্দা ফিরহাদ হাকিম।

কর্পোরেশনের গণ্ডি ছাড়িয়ে গেছেন বিধানসভায়। ভোটে জিতে বিধায়ক হওয়ার পরে হয়েছেন মন্ত্রী। সূত্র : বিবিসি

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com