1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪, ১১:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
চাঁদপুরে একের পর এক বেরিয়ে আসছে ভয়ঙ্কর রাসেল ভাইপার, আতঙ্ক আফগানিস্তানের বিপক্ষে লড়াকু পুঁজি ভারতের দেশে আবিষ্কৃত ২৯টি গ্যাস ক্ষেত্রের মধ্যে ২০টি উৎপাদনরত রাশিয়ার দুটি জ্বালানি ডিপোতে ড্রোন হামলায় আগুন বেনজীর ও আছাদুজ্জামানের সম্পদ নিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শ্রমিকদের মৃত্যু নিয়ে প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বললেন ‘হায়াত-মউত আল্লাহর হাতে’ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শনিবারের ছুটি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত চান্দিনায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার ওপর হা-ম-লার প্র-তিবাদে মানববন্ধন শুল্ক ও বাড়তি কর বিদেশি বিনিয়োগে বড় বাধা: পলক মিয়ানমারকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আমরাও পাল্টা গুলি চালাবো: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কলেজ শিক্ষকের মৃত্যু নিয়ে যা বললেন চিকিৎসক

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১৫ আগস্ট, ২০২২
  • ১০২ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক : নাটোরে কলেজছাত্রকে বিয়ে করে ভাইরাল হওয়া খুবজিপুর ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক খায়রুন নাহারের মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে শ্বাসরোধ হওয়ার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা।

নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে মরদেহের ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক (আরএম্ও) সামিউল ইসলাম শান্ত জানান, মরদেহের শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে শ্বাসরোধ হওয়ার কারণে তার মৃত্যু হতে পারে।

তারপরও ভিসেরা রিপোর্ট আসলে আরও বিস্তারিত জানা যাবে। তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে ময়নাতদন্ত করা হয়েছে।

রোববার (১৪ আগস্ট) সকালে পুলিশ তার স্বামী মামুনকে আটকের সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে মামুন জানান, খায়রুন নাহারের বাবা-মাসহ আত্মীয়-স্বজনরা যোগাযোগ রাখতেন না। খায়রুন নাহারের কলেজের কোনো সহকর্মী তার সঙ্গে ভালোভাবে কথা বলতেন না। মানসিকভাবে চাপে ছিলেন খায়রুন।

নিহত খায়রুন নাহারের চাচাত ভাই সাবির উদ্দিন বলেন, অসম বয়সের ছাত্রকে বিয়ে করায় খায়রুন নাহারের কলেজের সহকর্মীরা তার সঙ্গে তেমন কথা বলতেন না। বাবা-মাসহ আত্মীয়-স্বজনরা যোগাযোগ রাখতেন না। বিয়ের বিষয়টি গণমাধ্যমে আসার পর ফেসবুকে ব্যাপক সমালোচনা হওয়ায় খায়রুন নাহার মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন।

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য মামুনের কোনো স্বজনকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তার বাবা মোহাম্মদ আলীর মোবাইল ফোন বন্ধ। তার চাচা আহম্মদ আলী মেম্বারকে মোবাইল ফোনে পাওয়া যায়নি।

ঘটনার পর নাটোরের পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা, পিবিআই পুলিশ সুপার শরিফ উদ্দিন ও সহকারী পুলিশ সুপার মহসিনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

এ সময় পিবিআই পুলিশ সুপার শরিফ উদ্দিন বলেন, সব আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট ও তদন্ত অগ্রসর হলে মৃত্যুর বিষয়ে পরিষ্কার করে বলা যাবে।

নাটোরের পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা বলেন, বিষয়টি আত্মহত্যার মতোই মনে হচ্ছে। সিলিং ফ্যানে ওড়না দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থা থেকে যেভাবে ওড়না আগুন দিয়ে পুড়িয়ে খায়রুন নাহারকে তার স্বামী নামিয়েছেন এটা বিশ্বাসযোগ্য। কাপড় এবং ফ্যানের কিছু অংশ পোড়া অবস্থায় দেখা গেছে।

তারপরও মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত স্বামী মামুন বাইরে থাকাসহ সবগুলো পয়েন্ট মাথায় রেখে পুলিশ তদন্ত কাজ শুরু করেছে।

মামুনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে এবং পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত শেষ হলে এ বিষয়ে বিস্তারিত বলা যাবে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com